সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে আসছে নতুন ১৩ ফাস্ট বোলার। বিসিবি এবং রবি আজিয়াটা লিমিটেডের উদ্যোগে ‘রবি ফাস্ট বোলার হান্ট’ এর ‘এলিমিনেশন’ রাউন্ড শেষে বিজয়ী ১৩ ফাস্ট বোলারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জয়ীদের জন্য ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি বৃত্তির ব্যবস্থাও করেছে রবি।
২২ গজের পিচে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার চেষ্টায় প্রায় তিন মাস পার করেছেন দেশের উদীয়মান ফাস্ট বোলাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও টেলিফোন অপারেটর রবি’র ‘ফাস্ট বোলার’ খোঁজার কার্যক্রমে সাড়া দিয়েছিলো ১৪ হাজার ৬শ’ ১১ জন। বাছাই শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৬’তে। সাতদিনের ক্যাম্প থেকে আয়োজকরা পেয়েছে ১০ ছেলে, ১ ময়ে এবং ২ শারীরিক প্রতিবন্ধী পেস বোলার।
রবি ফাস্ট বোলার হান্টের সেরা ১০ বোলার হলেন-এবাদত হোসেন, ইমরান আলী এনাম, নূর আলম সাদ্দাম, ইয়াসির আরাফাত মিশু, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রাহী হাসান প্রান্ত, শরিফুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান, নাজমুল হোসেন ও সুলতান হোসেন।
এদের মধ্যে সর্বোচ্চ গতিতে বল করে ‘স্পিডস্টার’ পুরস্কার জিতেছেন এবাদত হোসেন। অনুশীলনে ঘন্টায় ১৩৯ কিঃমিঃ বেগে বল করতে সক্ষম হলেও আজ ১৩৫ কিঃমিঃ বেগে বল করে এ পুরস্কার জেতেন এবাদত।
ধারাবাহিকভাবে লাইন-লেন্থ ঠিক করে বল করার জন্য ‘মোস্ট কন্সিস্ট্যান্ট’ ফাস্ট বোলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন মুজিবুর রহমান। এছাড়া বলের বৈচিত্র্য ও সুইং থাকায় ‘বেস্ট ভ্যারিয়েশন‘ ফাস্ট বোলারের স্বীকৃতি পান সুলতান হোসেন।
তিনজন মেয়ের মধ্যে ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার বেগে বল ছুঁড়ে বিজয়ী হয়েছেন পূজা চক্রবর্তী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রূপা রায় ও সুবর্ণা মোস্তফা। ন্যাশনাল ডিজঅ্যাবলড (ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড) ক্রিকেট টিমের জন্য প্রস্তুত করার জন্য শারীরিকভাবে ত্রুটি রয়েছে এমন দুই বোলার মনির হোসেন ও গোলাম রব্বানিকে বাছাই করা হয়।
বিজয়ী প্রত্যেকে মাসিক বৃত্তি পাবেন। দেয়া হয়েছে সার্টিফিকেট ও ৫০ হাজার টাকা। ‘বেস্ট ভ্যারিয়েশন ফাস্ট বোলার’ এর স্বীকৃতি পেয়েছেন তিন জন। বিজয়ীরা ব্যক্ত করেছেন ভালো খেলার কথা।
এরকমই এক পেসার হান্ট কর্মসূচি থেকে রুবেল হোসেনকে পেয়েছে বাংলাদেশ। জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন বলেন, বয়স ভিত্তিক ক্রিকেট লিগ, এ দলের খেলা সহ সব খেলাগুলোতেই ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে। তবেই জাতীয় দলে ডাক পাওয়া যাবে।
উদীয়মান পেস বোলারদের নিয়ে হাইপারফরম্যান্স টিমের অধীনে বছরে ৪৫ দিনের ক্যাম্প করবে বিসিবি।
বিসিবির হাইপারফরম্যান্স টিমের চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই আনফিনিশড প্রোডাক্ট গুলোকে ফিনিশড করা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরু হওয়ার আগে আমরা তাদের দুই সপ্তাহের ট্রেনিং করাব।
রবি’র চিফ অপারেটিং অফিসার মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন , আপনাদের চেষ্টা আছে, আপনারা জ্বলে উঠবেন এটা আমাদের বিশ্বাস, দেশবাসীর বিশ্বাস।
রবি পেসার হান্ট থেকে পাওয়া পেসারদের মধ্যে কমপক্ষে দু’জন দু’ বছরের মধ্যে জাতীয় দলে খেলতে পারবেন বলে আয়োজকরা আশাবাদী।






