পেন্ডুলামের মতো দুলল ম্যাচের ভাগ্য। একবার বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দিকে, পরক্ষণেই শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের দিকে। শুরু থেকেই দোদুল্যমান থাকা ম্যাচ শেষপর্যন্ত নিজেদের দিকেই হেলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২ রানের নাটকীয় জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে শুরু করেছে স্বাগতিকরা।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শেষ বলে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে জয় উপহার দেন খালেদ আহমেদ। ১০ ওভারে ৭২ রান দিয়ে চার উইকেট নেন এ ডানহাতি পেসার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ‘এ’-২৮০/৭, শ্রীলঙ্কা ‘এ’-২৭৮/১০
অভিজ্ঞতায় দুই দলের ক্রিকেটারদের মাঝে অনেক ব্যবধান। উপুল থারাঙ্গা, লাহিরু থিরিমান্নে, থিসিরা পেরেরাদের বিপরীতে সৌম্য সরকার, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ মিঠুনরা। অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে থাকলেও টাইগারদের দাপুটে ব্যাটিং-বোলিংয়ের কাছে হার মেনেছে অভিজ্ঞ লঙ্কানরাই।
শুরুতে টাইগার ব্যাটসম্যানরা এনে দেন ২৮০ রানের লড়াকু পুঁজি। ১৩ রানে লঙ্কানদের দুই উইকেট তুলে নিয়ে বোলাররা দেন সামর্থ্যের প্রমাণ। মাঝে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের দাপট, শেষে টাইগার বোলারদের জ্বলে ওঠা। লঙ্কানদের লড়াই থামে ইনিংসের শেষ বলে ২৭৮ রানে অলআউট হয়ে।
দাসুন শানাকা করেন সর্বোচ্চ ৭৮ রান। এছাড়া আশান প্রিয়াঞ্জন ৪২ ও শেষদিকে শাম্মু আসান করেন ২৮ রান।
ডানহাতি পেসার খালেদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের দিনে তিন উইকেট নিয়েছেন তরুণ সেনসেশন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। দুটি উইকেট নিয়েছেন আরিফুল হক। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে আরিফুলের হাতেই।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ২৮০ রানের পুঁজি পায় ওপেনার মিজানুর রহমান (৬৭), ফজলে মাহমুদের (৫৯) অর্ধশত ও আরিফুলের শেষের ঝড়েই।
শেষদিকে আরিফুল হক ২২ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তাতেই চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ৪৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে রাখেন দারুণ অবদান।







