এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রতি দশ লাখে ১ হাজার ৯৩৩.২৯ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ঢাকা বিভাগে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা ৪৮.৩৩ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ১৬ জন।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক(প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী দেশে এখন পর্যন্ত প্রতি দশ লাখে ১ হাজার ৯৩৩.২৯ জন শনাক্ত হয়েছে। প্রতি দশ লাখে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১১ দশমিক ১১ জন। প্রতি দশ লাখে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৩৩৭ দশমিক ৬৪ জন। প্রতি দশ লাখে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১৯ জন। প্রতি দশ লাখে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৬ দশমিক ৭৩ জন। প্রতি দশ লাখে নতুন করে মারা গেছেন শূণ্য দশমিক ২১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বিভাগ ওয়ারী বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২ হাজার ২০০ জন, যা ৪৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ১৬ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৭২ জন, যা ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ৬ জন। রাজশাহী বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩০১ জন, যা ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ২ জন। খুলনা বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৮৬ জন, যা ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ৮ জন।
বরিশাল এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৭৭ জন, যা ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ২ জন। সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২০৬ জন, যা ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে মারা গেছেন ১ জন। রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২১৩ জন, যা ৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ময়মনসিংহ বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৭ জন, যা ২ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ বিভাগে নতুন করে কেউ মারা যান নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে নতুন করে করোনায় মৃত ৩৬ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব দুই, ত্রিশোর্ধ্বে দুই, চল্লিশোর্ধ্ব চার, পঞ্চাশোর্ধ্ব ছয় এবং ষাটোর্ধ্ব ২২ জন রয়েছেন। দেশের ৮ বিভাগে নতুন করে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ এক হাজার ৭৮৭জন রোগী সুস্থ হন। সর্বনিম্ন ১৭ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগে। নতুন করে সুস্থ হয়ে ওঠা মোট রোগীদের মধ্যে অন্যান্যে বিভাগের মধ্যে- চট্টগ্রামের ৫৬৮ জন, রংপুরের ১৩৩, খুলনার ৩৩৯, বরিশালের ৫৪, রাজশাহীর ২৬৫ এবং সিলেট বিভাগের ৭৩ জন রয়েছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৩৬৩ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৯০৭ জন। আইসোলেশন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৬২৭ জন এবং এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ২২৬ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৭৫ হাজার ১৩৩ জনকে। প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ১ হাজার ৬২৫ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৬৬৬ জন এবং এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৬ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৫ লাখ ৮ হাজার ৩৯৬ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫২ হাজার ৮৫ জন।







