বাংলাদেশে সাড়ে সাত হাজার চীনা নাগরিক রয়েছে, তাদের কারো মধ্যেই এখনও করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন: ‘করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, দেশের সব সরকারি হাসপাতালে করোনা ভাইরাস চিকিৎসার জন্য আলাদা সেল গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চীনা নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, অর্থাৎ চীন থেকে যারা বাংলাদেশে আসতে চায় তাদেরকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার বেইজিং এ গিয়ে বিশেষ একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।’
এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের রোগী দেখা যায়নি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন: ‘বিমানবন্দরে যে স্ক্রিনের ব্যবস্থা রয়েছে সেটা শুধু তাপমাত্রা নিরুপনের জন্য। তাই জ্বর ধরা না পড়লেও অনেকে এ ভাইরাসে আক্রান্ত থাকতে পারে, তাই প্রত্যেককে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। তাদের চিকিৎসার জন্য সব ব্যবস্থা রয়েছে সরকারের।’
‘যে ১৭০ জন্য শিক্ষার্থী উহান থেকে বাংলাদেশে আসতে চায় তাদেরকে না আসার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করছে সরকার, তাদের কোনো সমস্যা হলে চীন সরকার তাদের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। আশকোনায় যারা আছেন তাদেরকে ১৪ দিনই সেখানে থাকতে হবে, গেল শনিবার তারা সেখানে থাকতে শুরু করেছে। তাদের হাইজিনের ব্যাপারে সব ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।’
মাস্ক পরা নিয়ে সারাদেশে হুজুগ শুরু হয়েছে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন: ‘এটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে, কারণ সুস্থ মানুষের মাস্ক পরার কোনো প্রয়োজন নাই, তাই মাস্কের দাম বাড়ারও কারণ নাই, যখন সবার মাস্ক পরার প্রয়োজন হবে তখন সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে বলা হবে।
যে ৩১২ জন আশকোনায় আছে তাদেরকে ১৪ ফেব্রুয়ারি সেখান থেকে ছেড়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।








