৩৫ বছরে এসে দীর্ঘ ১৭ বছর ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন কিউই পেসার হামিশ বেনেট। ২০১০ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক হওয়ার পর গত সেপ্টেম্বরে দুই টি-টুয়েন্টি ম্যাচই হয়ে থাকল বেনেটের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।
ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় চোট সমস্যায় থাকা বেনেটে কিউইদের হয়ে ৩১ ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করে তুলেছেন ৪৩ উইকেট। এছাড়াও কিউইদের হয়ে খেলেছেন ২০১১ বিশ্বকাপে।
২০১২ সালে ব্যাক ইঞ্জুরিতে পরে দীর্ঘ সময় মাঠে নামতে পারেন নি এই ক্রিকেটার। পরে চোট কাটিয়ে ফিরলেও জাতীয় দলের হয়ে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবে চালিয়ে যাচ্ছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেট। অবশেষে সেই চোট সমস্যার কারনেই ক্রিকেটকে বিদায় বলতে হল তাকে।
‘একটি স্ট্রেস ফ্র্যাকচার অপসারণ করা ও কিছু টাইটানিয়াম তার লাগানো হয়েছে পিঠকে একত্রিত করার জন্য। নিতম্ব থেকে হাড় বের করে পিছনের দিকে রাখা বেশ জটিল। এই অবস্থায় ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি যখন টিমারুতে নেট বোলিং শুরু করি, তখন আমি স্বপ্নেও ভাবিনি আমার ক্যারিয়ার উপভোগ করতে পারব। অনেক দুর্দান্ত খেলোয়াড়, অধিনায়ক এবং কোচের সাথে কাজ করতে ও খেলতে পেরে খুব সৌভাগ্যবান। নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা সম্মানের বিষয়। সেই সব স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাগুলি আমি লালন করব এবং অন্যদের সাথে এসব নিয়ে গল্প করব।’
জাতীয় দলের হয়ে ১৯টি ওয়ানডে, ১১টি টি-টুয়েন্টি ও ১টি টেস্ট খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে ১২ বার টাইটেল জয়ী এই ক্রিকেটার। ২০০৫ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষিক্ত হয়ে ক্যান্টারবেরি এবং ওয়েলিংটনের জার্সিতে ২৬৫ ম্যাচে ৪৮৯ উইকেট তুলেছেন বেনেট।







