ত্রিদেশীয় সিরিজে দুই ম্যাচ হাতে রেখে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলা বিরল ঘটনাই। পরপর দুম্যাচে বোনাস পয়েন্টসহ জিতে সেই কাজটাই করেছে বাংলাদেশ। মজার ব্যাপার, ২৭ জানুয়ারির ফাইনালে মাশরাফী-সাকিবদের প্রতিপক্ষ কারা হবেন সেটিও নির্ভর করছে স্বাগতিক দেশের উপরই।
রোববার মিরপুরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দিলে জিম্বাবুয়ে উঠে যেত ফাইনালে। শ্রীলঙ্কা জিতে যাওয়ায় জমে উঠেছে দল দুটির মাঝের হিসেব-নিকেশ। তিনটি করে ম্যাচ খেলা দু’দলের পয়েন্ট সমান ৪। সেখানে টাইগারদের ঝুলিতে ১০ পয়েন্ট। মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ে ও বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
লাল-সবুজদের ক্রিকেটাররা যেভাবে পারফর্ম করে যাচ্ছেন, তাতে শেষ দুটি ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হতেই পারেন মাশরাফী। সেটি হলে সমান ৪ পয়েন্টেই থাকবে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের। তখন রানরেটে এগিয়ে থাকা দলটি হবে বাংলাদেশের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের প্রতিপক্ষ। তিনটি করে ম্যাচ শেষ করে জিম্বাবুয়ে রানরেটে কিছুটা এগিয়ে শ্রীলঙ্কার চেয়ে। তবে তাদের শেষ ম্যাচের পারফরম্যান্সের উপর রানরেটের ওঠানামার হিসাব থাকছে।
অবশ্য রোববার লঙ্কানদের সামনে সুযোগ ছিল বোনাস পয়েন্ট নিয়ে জেতার। জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৯৯ রানের লক্ষ্য ৪০ ওভারে টপকাতে পারলেই হত। লঙ্কানরা তাতে জয়ের ৪ পয়েন্টের সঙ্গে একটি বোনাস পয়েন্টও পেত। শুরুতে সে পথে হেটে রানরেট পাঁচে রাখলেও শতরান পেরিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালে পিছু হটে শ্রীলঙ্কা। ধীরে ধীরে ব্যাট করে ৪৪.৫ ওভারে গন্তব্যে পৌঁছানোই শ্রেয় মনে করে।
বোনাস পয়েন্টের সুযোগ হাতছাড়া প্রসঙ্গে দলটির অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল ম্যাচ শেষে বলেন, ‘বোনাস পয়েন্ট আমাদের মাথায় ছিল। সেভাবেই আগাচ্ছিলাম। পরে কয়েকটি উইকেট পড়ে যাওয়ায় মনে হল ঝুঁকি হয়ে যায়। উইকেটটা ব্যাটিং সহায়ক ছিল না। কিছু বল লাফিয়ে উঠছিল, কিছু বল নিচু হচ্ছিল। আগের দিনের মতো ছিল না। যে কারণে আমরা ঝুঁকি নেইনি।’
শ্রীলঙ্কা ঝুঁকি নেয়নি। সেকারণে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশের দিকে। একই অবস্থা জিম্বাবুয়েও। তারাও তাকিয়ে টাইগারবাহিনীর দিকেই।








