গ্রুপ ‘বি’ থেকে নিজেদের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হওয়ার পর ‘এফ’ গ্রুপের দিকেও এক চোখ ছিল বাংলাদেশের। কারণ এই গ্রুপের রানার্সআপই লাল-সবুজদের নক আউট প্রতিপক্ষ। সম্ভাব্যতায় শক্তিশালী ইরান ও সৌদি আরব এগিয়ে থাকলেও জামাল ভুঁইয়াদের পরের রাউন্ডে প্রতিপক্ষ হয়েছে নর্থ কোরিয়া।
বেশ নাটক জমিয়েই গ্রুপ ‘এফ’ থেকে রানার্সআপ হয়েছে নর্থ কোরিয়া। পয়েন্টে শীর্ষে থাকা সৌদি আরবকে ৩-০ গোলে হারায় নর্থ। অন্যদিকে আরেক শীর্ষ দল ইরানকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ জমিয়ে দেয় মায়ানমার। তাতে তিন দলের পয়েন্ট সমান ৪ হলেও গোল ব্যবধানে সেরা ও রানার্সআপ হয় ইরান এবং নর্থ। আর সেরা চার তৃতীয় দলের একটি হয়ে পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয় সৌদি আরবের।
নক আউটে এক কঠিন প্রতিপক্ষকেই পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১০ ও ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসের রানার্সআপ এই নর্থ কোরিয়া। র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ৮৬ ধাপ। অতীতের দুই দেখায় সবগুলোতেই জয় পেয়েছে সাউথ কোরিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশটি। যদিও প্রতিটি ম্যাচেই ছিল প্রতিদ্বন্দ্বীতার আভাস। ১৯৮০ এশিয়া কাপে ৩-২ গোলে হারের পরের দেখায় মাত্র এক গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।
র্যাঙ্কিং যে কোনো বিষয় নয় তার প্রমাণও এই এশিয়ান গেমসেই রেখেছে বাংলাদেশ। র্যাঙ্কিংয়ে ৯৬ ধাপ এগিয়ে থাকা কাতারের বিপক্ষে জয়ের আগে ৭২ ধাপ এগিয়ে থাকা থাইল্যান্ডকেও রুখে দিয়েছিল জেমি ডের শিষ্যরা। তাই শুক্রবার চিকারাং স্টেডিয়ামে অন্তত হার না মানা মানসিকতার এক বাংলাদেশকেই দেখার প্রত্যাশা থাকবে লাল-সবুজ সমর্থকদের।








