সফর শুরু হওয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে সেই আলোচনা কখনো পাত্তা দিতে চাননি। অবশেষে সফরের শেষ ম্যাচের আগে দাবি করলেন, সাবেক শিষ্যদের ক্ষমতা-অক্ষমতা তার জানা থাকায় শ্রীলঙ্কার এমন সাফল্য।
ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা জয় দিয়ে শুরু করে বাংলাদেশ। সেই দলটি টানা দুই ম্যাচ হেরে ট্রফি জেতার সুযোগ হাতছাড়া করে।
শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশে আসার আগে সব সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুকে নিয়ে ছিল আলোচনা। প্রতিপক্ষ দলে সাবেক কোচ থাকায় কোনো সমস্যা হবে কি না, এমন প্রশ্নে বাংলাদেশের প্রায় সবাই দাবি করেছিলেন, কোনো সমস্যা হবে না। পাল্টা যুক্তিতে সাকিবরা বলেছিলেন, তারাও জানেন হাথুরু কীভাবে পরিকল্পনা করেন।
সিলেটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শনিবার হাথুরু বলেন, ‘সত্যি বলতে…আসলে হ্যাঁ, এটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের কয়েকজনকে নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল। আমি জানতাম ওরা কীভাবে খেলে, কেমন চাপ নিতে পারে।’

ত্রিদেশীয় সিরিজ, টেস্ট সিরিজ জয়ের পর এখন টি-টুয়েন্টিতেও এগিয়ে লঙ্কানরা। প্রথম ম্যাচে ১৯৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২০ বল এবং পাঁচ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় তারা।
শেষ ম্যাচেও জয় পেতে মুখিয়ে আছেন লঙ্কান কোচ, ‘আমরা দেখেছি মিরপুরে বাংলাদেশ তিনদিন অনুশীলন করেছে। কৃত্রিম আলোতেও অনুশীলন করেছে। আমরা তাই এখানে (সিলেটে) আগেভাগে চলে এসেছি। অবশ্যই আমরা সিরিজটি জিততে চাই।’
বাংলাদেশ দল দারুণ শুরু করেও ভেঙে পড়ায় হাথুরুসিংহে যারপরনাই বিস্মিত, ‘সত্যি বলতে আমি বিস্মিত হয়েছি। বলছি না তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুতে ওদের ভাবনাগুলো স্বচ্ছ ও পরিষ্কার ছিল। প্রতিপক্ষ দুই দলকেই চাপে ফেলে দিয়েছিল ওরা। তবে কয়েকটি ম্যাচের পর আমার মনে হয়, নিজেদের সামর্থ্যে সংশয় জাগতে শুরু করেছিল ওদের। বিশেষ করে কিছু ব্যর্থতার পর।’







