ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালের আমতলীতে ২০২০ সালে তাদের দ্বিতীয় মেডিক্যাল ফার্স্ট রেসপন্ডার সেমিনার (এমএফআরএস) পরিচালনা করেছে।
সেসময় বরিশাল বিভাগের ৩০ জন এফএসসিডি কর্মকর্তা দ্বিতীয় মেডিক্যাল ফার্স্ট রেসপন্ডার সেমিনার ২০২০-এ অংশ নেন, যেটি সাম্প্রতিক এমএফআরএস-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে।
পাঁচ দিনের এ সেমিনারে বরিশাল বিভাগের সাতটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি) স্টেশনের ৩০ কর্মকর্তা হাতে কলমে অনুশীলনসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
এছাড়া সকল অংশগ্রহণকারীকে বাংলাদেশি কোম্পানির সরবরাহ করা চিকিৎসা সরঞ্জামসহ একটি করে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা কিট দেওয়া হয়।
এসব সেমিনার জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ফার্স্ট রেসপন্ডার হিসেবে ভূমিকা পালনকারী এফএসসিডি কর্মকর্তাদের সামর্থ্য বৃদ্ধি করে এবং এটি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সম্পর্কের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে।
প্রশিক্ষণকালীন তিন জন প্রশিক্ষকের মধ্যে দুজন ছিলেন জানুয়ারিতে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আয়োজিত একই রকম এমএফআরএস-এ অংশগ্রহণকারী এবং তারা “প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ” উদ্যোগের অংশ হিসেবে সেমিনার পরিচালনা করেন, যার লক্ষ্য নিজেদের জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া ও দক্ষ করে তোলায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সামর্থ্য বৃদ্ধি করা।
অংশগ্রহণকারী-ও-প্রশিক্ষক এরকম একজন ৩১ জানুয়ারি সেমিনার শেষ হওয়ার অল্প কিছুদিন পরেই তার নতুন দক্ষতা প্রয়োগ করেন। তিনি গ্রিজ অথবা গ্যাস থেকে লেগেছে বলে মনে হওয়া আগুন পার্শ্ববর্তী বালু দিয়ে সঠিকভাবে নিভিয়ে দেন।
এছাড়াও নিরাপত্তা সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জরুরী চিকিৎসা সেবায় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাড়া দেয়ায় দূতাবাসের মেডিক্যাল ফার্স্ট রেসপন্ডার সেমিনার বাংলাদেশি নিরাপত্তা ও সরকারি কর্মকর্তাদের মতামত ও উৎকৃষ্ট উদাহরণ বিনিময়ের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।
সপ্তাহব্যাপী এ সেমিনার এফএসসিডি ও বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে একসাথে প্রশিক্ষণের এবং একে অন্যের থেকে শেখার সুযোগ তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে যেসব এমএফআরএস সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, সেগুলো বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে এরকম সুযোগ আরো বৃদ্ধি করবে।
মেডিক্যাল ফার্স্ট রেসপন্ডার সেমিনার বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতা, সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরো বৃদ্ধি করা, শক্তিশালী অংশিদারিত্বকে উৎসাহিত করা এবং একটি অবাধ ও মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তার অজস্র উদ্যোগের একটি।







