জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছে বরিশাল বিভাগ। খুলনার দেওয়া ৪০৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ কোনও উইকেট না হারিয়ে ৩২ রান। সোমবার শেষ দিনে করতে হবে আরও ৩৭১ রান, হাতে অক্ষত ১০ উইকেট।
লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে ফলের সম্ভাবনা জাগানো ম্যাচ কেবল এটিই। বাকি তিন ম্যাচের ভাগ্যে জুটতে যাচ্ছে নিষ্প্রাণ ড্র।
শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে খুলনার প্রথম ইনিংসে করা ৪৪৪ রানের জবাবে বরিশালের ইনিংস থামে ২৫৮ রানে। ৬ উইকেটে ১৭১ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করা দলটি শেষ চার উইকেটে যোগ করে আরও ৮৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৬ রান তোলার পর ইনিংস ঘোষণা করে খুলনা। নুরুল হাসান সোহান ও প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি পাওয়া তুষার ইমরান উভয়ই ৫৭ রান করে যোগ করেন।
প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট পাওয়া মনির হোসেন নেন ২টি উইকেট। সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকারি অফস্পিনার সোহাগ গাজী। পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি নেন দুটি উইকেট।
দিনের শেষ ঘণ্টা ব্যাটিং করে কোনও উইকেট হারায়নি বরিশাল। ফজলে রাব্বি ১৫ ও রাফসান আল মাহমুদ ১৩ রানে অপরাজিত আছেন।
বগুড়ায় প্রথম স্তরের অপর ম্যাচের তৃতীয় দিনে এসে মাঠে খেলা গড়িয়েছে। তবে খেলা হয়েছে মাত্র এক ঘণ্টা। ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুর কোনও উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৪৯ রান। সায়মন আহমেদ ২৮ ও জাহিদ জাভেদ ২০ রানে অপরাজিত।
বৃষ্টির কারণে ড্রয়ের পথে রাজশাহী-চট্টগ্রাম ম্যাচও। রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে দুই দফা বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকে। চট্টগ্রামের করা ৪৩২ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে এক উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান তোলার পর বৃষ্টিতে ধুয়ে যায় দিনের বাকি খেলা।
জহুরুল ইসলাম অমি ৭৫ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ২৫ রানে অপরাজিত আছেন। দলীয় শতরান পেরোনোর পর ওপেনার মাইশুকুর রহমানের (৩৬) উইকেট হারায় রাজশাহী।
কক্সবাজারে বৃষ্টিভেজা আউটফিল্ড থাকায় তৃতীয় দিনেও গড়ায়নি ঢাকা মেট্রো ও সিলেট বিভাগের ম্যাচের কোনও বল।








