রাস্তার তৈরির জন্য বরাদ্দ খরচ হলেও নেত্রকোণা জেলার ২২ নম্বর গলগলি মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলে কম, বন্ধ থাকে বেশি। কারণ বর্ষা মৌসুমে এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থাকে পানির নিচে। কিন্তু শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে সরকার এখানে বিনিয়োগও করেছে বেশ। মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওর এলাকায় তৈরি করেছে টেকসই স্কুল ভবন। কিন্তু শুরু থেকেই রাস্তার উপর গুরুত্ব না দেয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায় ২২ নম্বর গলগলি মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার একমাত্র পথটি।
রাস্তা উন্নয়নের জন্য চলতি বছরে বরাদ্দ হয়েছে ২ মেট্রিক টন গম। সরকারি খাতে রাস্তা হয়েছে বলে দেখানো হলেও এলাকাবাসীর অভিযোগ এখানে রাস্তার কাজ হয়নি কখনোই। এলাকাবাসীর মতে স্থানীয় সরকারের গাফিলতির জন্য হয়নি রাস্তার কাজ।
স্কুল চলাকালীন সময়ে হাওরের মাঝে শিশুদের উপস্থিতি প্রমাণ করে শিশুদের একটি অংশ আছে স্কুলের বাইরে। এই স্কুলে আসেন না প্রধান শিক্ষক। এ নিয়ে অভিভাবকদের ক্ষোভ থাকলেও হয়নি অবস্থার উন্নয়ন। ২২ নম্বর গলগলি মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১০ টার সময়েও বন্ধ পাওয়া যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম খান খুব একটা আসেন না। আর এমন বন্ধের চিত্র থাকে বছরজুড়েই।নির্দিষ্ট সময়েরও দুই ঘণ্টা পর স্কুলে আসেন একজন শিক্ষক। যিনি থাকেন এই এলাকাতেই।
স্কুলের এই অনিয়ম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের জানা থাকলেও রহস্যময় কারণে হচ্ছে না সমস্যার সমাধান।







