গত এক সপ্তাহ ধরে বন্যার পানিতে প্রায় সবকিছু হারিয়ে গেলেও পানিবন্দী এসব মানুষদের কাছে কোন প্রকার ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়নি। এমনকি তাদের পাশে এসে দাঁড়াননি কেউ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ বলছেন, সরকারি কোন সহায়তা না পাওয়ায় পানিবন্দী এসব মানুষদের কোন প্রকার সহায়তা করতে পারছি না।
তবে জেলা প্রশাসন বলছে, ক্ষতিগ্রস্থদের প্রকৃত তালিকা না পাওয়ায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালানা করতে বিলম্বিত হচ্ছে। এই অবস্থায় সরকারি ত্রাণের অপেক্ষায় বসে আছে টাঙ্গাইলের একাধিক এলাকার দুর্গত মানুষ।
গত কয়েকদিন থেকে ঊজানের ঢল আর বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে যমুনা নদীর পানি। এতে করে টাঙ্গাইল যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় ১৯ সে.মি বেড়ে বিপদসীমার ৬০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।
মঙ্গলবার থেকে ভূঞাপুর পৌর এলাকার ফকির পাড়া, চর বেতুয়া, চর বামন হাটা, চর কুতুবপুর গ্রামে নতুন করে যমুনার পানি প্রবেশ করেছে। তাই এসব এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এসব এলাকা ছাড়াও পানি বাড়তে থাকায় ভূঞাপুর, কালিহাতী ও গোপালপুর উপজেলার ৩০টি’র বেশি গ্রামের ৫০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ওইসব এলাকায় দেখা দিয়েছে শুকনা খাবারসহ বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন র্বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং কয়েকদিনের বৃষ্টিতে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি দেখুন ভিডিওতে:







