নদ-নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও সিরাজগঞ্জের বন্যা
পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। কুড়িগ্রামে দুই শিশুর এবং গাইবান্ধায় একজনের
মৃত্যু হয়েছে।
টানা ১০ দিন ধরে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় থাকায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ১শ’৬ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৮৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যার পানিতে ডুবে জেলা সদর ও নাগেশ্বরী উপজেলায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভাঙন দেখা দিয়েছে বজরা-চিলমারি সড়কে। বর্তমানে জেলার ৯ উপজেলার ৬০ ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।
গাইবান্ধায়ও বন্যার অবনতি হয়েছে। ফুলছড়িতে পানিতে ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাদ্য ও গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। ঘুড়িদহ ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ ভেঙে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো কয়েকটি গ্রাম।
জামালপুরের ৪ উপজেলার দেড় লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী হয়ে রয়েছেন। পানি ঢুকে পড়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদে। বেশির ভাগ জমির আখ ও পাট ডুবে গেছে।
সিরাজগঞ্জে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে জেলার ৫টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্মাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।
পানি বাড়ায় বোরোর বীজতলা রোপা আমন, বোনা আমন, পাট, কলা ও সবজির ফসলি জমি ডুবে গেছে। এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৫,২৮৬ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।







