টানা বৃষ্টিতে ১২ নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এর ফলে বন্যাকবলিত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট শুরু হয়েছে, একইসঙ্গে দেখা দিয়েছে রোগ-বালাই।
ইতোমধ্যে ধরলা, ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা, গুর, আত্রাই, ধলেশ্বরী, লক্ষ্যা, কালিগঙ্গা, কংস এবং তিতাস নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট, মৌলভিবাজার ও কক্সবাজারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী, রাজীবপুর, নাগেশ্বরী ও সদর উপজেলার ৩০টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ এখনও পানিবন্দি। বেড়েছে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি। ঘর ছেড়ে বাঁধ ও উচু জায়গায় আশ্রয় নিচ্ছে বন্যাকবলিত মানুষ।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধার চরাঞ্চলসহ জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সদর উপজেলার আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ৪ উপজেলার ৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
লালমনিরহাট
লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি আবারো বাড়ছে। ভারতের গজলডোবা ব্যারেজের ৫৪টি গেট খুলে দেয়ায় ৬৩টি চরের মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
মৌলভীবাজার
মৌলভীবাজারে গত কয়েকদিনে পানি কিছুটা কমলেও টানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ২৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ৫ হাজার ৬৪৩ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে চরম ক্ষতিগ্রস্থ’ কৃষক।
কক্সবাজার
কক্সবাজারে বেড়িবাধঁ সংস্কার ও পুণ:নির্মানের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চকরিয়া উপজেলায়।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চরের ফসলি জমি আর রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বাঁধে আশ্রয় নিচ্ছে মানুষ।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







