মাগুরায় মায়ের গর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আসামী মেহেদী হাসান আজিবর এবং হাজারীবাগে নির্যাতন করে শিশু হত্যার আসামী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মঙ্গলবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ছাত্রলীগ বলেছে, মাগুরার ঘটনায় ছাত্রলীগের দায় নেই। আর হাজারীবাগের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মাগুরার ঘটনায় হওয়া মামলায় ৩ নম্বর আসামী মেহেদী হাসান আজিবর পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, মাগুরার ঐ নেতা ১২ বছর আগে ছাত্রলীগে ছিলেন। আমরা ১২ বছর পর এসে তার দায় নিতে পারি না।
রাজধানীর হাজারীবাগে কিশোর রাজা মিয়াকে ফোন করে ডেকে নিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ছিলো আরজুর বিরুদ্ধে। সেও র্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।
এ প্রসঙ্গে জাকির বলেন, এ ঘটনায় আমরা এখনই কিছু বলতে চাই না। দলীয় ফোরামে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবো।
কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছাত্রলীগ নেতা নিহত হওয়ার ঘটনা সরকারের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোনো সাবধান বাণী কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছি; আমরা পরে জানাব।







