নদী ও সাগর উপকূল এবং বনাঞ্চল থেকে শুরু করে জনবসতি এলাকায় প্রায় ৭শ’ প্রকৃতির পাখি বিচরণ করে বাংলাদেশে। তবে আবাসস্থল ও খাদ্য সংকট আর শিকারীদের তৎপরতায় এর অর্ধেকই প্রায় বিপন্ন।
বিশ্বের কয়েকটি দেশে বিলুপ্ত হলেও শুধু বাংলাদেশে টিকে আছে কিছু প্রজাতির পাখি। বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাবের সভাপতি ডাঃ নিয়াজ আব্দুর রহমান বলেন, ‘কিছু কিছু গাছ আছে যাদের পাখির দ্বারা প্রজনন হয়, পাখি দ্বারা বিস্তার ঘটে সেগুলো কমে যাবে।’
আইউসিএন এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাবের উদ্যোগে দুর্লভ প্রজাতির পাখির আলোক চিত্র, পাখি বিষয়ক আলোচনা ও বইয়ের প্রদর্শনী হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে।
প্রদর্শনীতে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, ‘এখন চরগুলোতে বসতি গড়ে উঠছে। এই বসতির কারণে পাখিগুলো তাদের আবাসস্থল হারাচ্ছে এবং নির্ভয়ে আর ওই জায়গায় চলাফেরা করতে পারছে না। সে কারণে যদি একটি চরকে পাখির অভয়ারণ্য করা যায়, তাহলে হয়তো কিছুটা হলেও পাখির বাসস্থান হিসেবে এটাকে ধরে রাখতে পারবো।’
বন আর পরিবেশ রক্ষার জন্যেই পাখি রক্ষা জরুরি বলে মনে করেন বিশারদরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শহীদ আখতার হোসেন বলেন, ‘তারা (পাখি) যাতে আসতে পারে এবং থাকতে পারে এমন একটি অভয়ারণ্য থাকা জরুরি। আর পাখি শিকার বাংলাদেশে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
পাখি রক্ষার সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে টিএসসি চত্তর থেকে র্যালির মাধ্যমে শুরু এর কর্মসূচি।






