বনশ্রীতে নিহত গৃহপরিচারিকা লাইলীর গলায় পুলিশ শুধু একটি আঘাতের চিহ্ন পেলেও ময়না তদন্তকারী ডাক্তার তার মাথায়ও ক্ষতচিহ্ন পেয়েছেন। হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার গৃহকর্তা ও বাসার দারোয়ানকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় নাশকতার অভিযোগ এনে বিএনপি-জামায়াতের ৩৭ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ
গৃহকর্মী লাইলীর মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলেছিল প্রায় ৬ ঘণ্টা। লাইলী যে ভবনের একটি ফ্ল্যাটে কাজ করতেন ৭ তলা ভবনের সবগুলো ফ্লাটে ভাংচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। পুলিশ বলছে, শুক্রবারের ওই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিতে পুলিশের উপর হামলা ও নাশকতা চালাতে ঊস্কানি দেয় স্থানীয় একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠি।
গৃহকর্তার স্ত্রীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর গৃহকর্তা মাইনুদ্দীন মুন্সী ও বাসার দারোয়ান তোফাজ্জল হোসেন টিপুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
গৃহকর্মী লাইলীর স্বামীর বড় ভাই বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ময়না তদন্ত হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে।
পুলিশ আবেদন না করলেও ভিসেরা সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ময়না তদন্তকারী ডাক্তার। ময়না তদন্ত শেষে গৃহকর্মী লাইলীর লাশ পাঠানো হয়েছে তার গ্রামের বাড়ী কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








