জরুরি সহায়তা চেয়ে জনগণের টুইটবার্তার দ্রুত ও উপকারি জবাব দেয়ার জন্য বেশ বিখ্যাত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। তবে রোববার টুইটারে একটি অনুরোধে বেশ বিরক্ত হয়েছেন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে পটু এই মন্ত্রী। আর সেই বিরক্তির কড়া প্রকাশ ঘটেছে তার উত্তরে।
পুনের অধিবাসী এক তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কর্মকর্তা টুইটবার্তার মাধ্যমে সুষমা স্বরাজকে অনুরোধ জানান তার স্ত্রীর কর্মস্থলের বদলির জন্য। তার স্ত্রী রেল মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঝাঁসিতে কাজ করছেন। স্মিত রাজ নামের ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা টুইটে মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন যেন তাদের এক বছরের বেশি সময় ধরে ‘বনবাস’ বা আলাদা থাকার এই অবস্থার অবসান করা যায় কিনা।
এর জবাবে টুইট করে সুষমা বলেন, “আপনি বা আপনার স্ত্রী যদি আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থেকে টুইটারে বদলির এমন একটি অনুরোধ জানাতেন, আমি এতক্ষণে আপনাদের নামে বরখাস্তের নির্দেশ পাঠিয়ে দিতাম।”
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই ফিরতি টুইটে রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুকেও ট্যাগ করে দেন। সুরেশ প্রভুও সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভারতীয় মন্ত্রীদের একজন।
সুষমার ট্যাগের উত্তরে রেলমন্ত্রী জানান, বদলি বিষয়ক কোনো কিছু তার এখতিয়ারে নেই। বদলির ক্ষমতা রেলওয়ে বোর্ডের হাতে। তবে স্মিত রাজের স্ত্রীর বদলির ব্যাপারে তিনি রেলওয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
স্মিত রাজ ‘বনবাস’ শব্দটি ব্যবহার করেন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত আরেক ব্যক্তির সাহায্যের আবেদনের জবাবে সুষমা স্বরাজের দেয়া টুইট থেকে। সঞ্জয় পন্ডিতা নামের ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীর পাসপোর্ট তৈরিতে বিলম্ব হওয়ায় এ ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাহায্য চান। তার দাবি, এই দেরির কারণেই তিনি স্ত্রীর থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
তখন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা এবং টুইটারে সঞ্জয়কে বলেন, এই বনবাস দ্রুতই শেষ হবে।








