লেবাননের রাজধানী বৈরুতে দেশটির শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহর শীর্ষ সামরিক কমান্ডার মুস্তাফা বদরেদ্দিনের শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছে হাজারো মানুষ।
বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলী এলাকায় সমর্থকদের বিপুল সংখ্যক সমর্থকের ভীড়ের মধ্য দিয়ে বদরেদ্দিনের কফিন নিয়ে যাওয়া হয়।
ওই সময় সমর্থকরা বিভিন্ন শিয়া স্লোগান উচ্চারণ করছিল। তাদের অনেকের মুখে আবার ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’ স্লোগানও শোনা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বিবিসি জানায়, শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই বদরেদ্দিনের মৃত্যুর জন্য ইসরাইলকে দায়ী করেছে। তবে সমর্থকদের একজনের দাবি, ‘হিজবুল্লাহর অনেক গুপ্তচর আছে।’
অন্য আরেকজন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বদরেদ্দিন না থাকায় ‘এখন আইএস এখানে (লেবানন) চলে আসবে।’
শুক্রবার সিরিয়ার দামেস্ক আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাছে এক বিস্ফোরণে নিহত হন লেবাননের শিয়া
সংগঠন হিজবুল্লাহর শীর্ষস্থানীয় সামরিক কমান্ডার মুস্তাফা বদরেদ্দিন।
ঘটনা নিশ্চিত করে হিজবুল্লাহ জানায়, হত্যাকাণ্ডের ওপর আগামী ‘কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই’ প্রতিবেদন দেবে দলটি।
বদরেদ্দিনসহ হিজবুল্লাহর অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরিকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৫ সালে বৈরুতে এক বোমা হামলায় নিহত হন রফিক হারিরি।
হিজবুল্লাহর আরেক শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার ইমাদ মুগানিয়া’র জ্ঞাতি ভাই এবং ভগ্নিপতি বদরেদ্দিন। ২০০৮ সালে ১২ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিলেন ইমাদ মুগনিয়া।
এখন পর্যন্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সমর্থনে দেশটিতে কয়েক হাজার সেনা পাঠিয়েছে হিজবুল্লাহ।








