বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হওয়ায় বঙ্গপোসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার কোস্ট গার্ডের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এমন নির্দেশনার কথা বলেন তিনি।
সেসময় প্রধানমন্ত্রী সম্ভাবনাময় এই খাত উন্নয়নে পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো কোনো উদ্যোগ না নেওয়ারও সমালোচনা করে বলেন, সংসদে সরকারী দলের সদস্যদের উপস্থিতি কম থাকায় ১৯৯৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নাটকীয়ভাবে পাস হয়েছিলো তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ প্রস্তাবিত ‘কোস্ট গার্ড বিল’। অথচ কাজের পরিধি বিবেচনায় সেই বাহিনীই এখন দেশের জলসীমা-নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী।’
‘‘ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তুলতে আমরা কোস্ট গার্ডকে একটি আধুনিক ও যুগপোযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ার লক্ষে কাজ করছি।’’
ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের বিরোধ মিটিয়ে বিস্তৃর্ণ সমুদ্রসীমায় অধিকার প্রতিষ্ঠা হওয়ায় কোস্ট গার্ডকে তৎপর থাকার নিদের্শনা দেন সরকার প্রধান।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে খুব শিগগির এ বাহিনীতে যুক্ত হতে যাচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির জাহাজ, হোভ্যারক্র্যাফট ও দ্রুত গতি সম্পন্ন বোট। এ ছাড়াও, গভীর সমুদ্রে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনয়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সঙ্গে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপনেরও উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে ২০২১ সালে বিশেষ অবদান রাখায় অনুষ্ঠানে কোস্টগার্ডের ৪ কৃতি সদস্যকে পদক প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তাদের হাতে পদক তুলে দেন ।







