সফলভাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ।
রোববার দুপুর ১২টায় তারা মধুর ক্যান্টিন থেকে আনন্দ মিছিল নিয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়। তারপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে তা শেষ হয়।
আনন্দ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন: ‘আমরা এমন একটি বিষয়ের জন্য আনন্দ মিছিল করেছি যার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’
তিনি আরও বলেন: স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের ফলে বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হবে। বাংলাদেশ সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগে এখন অনেকদূর এগিয়ে যাবে।
সমাবেশে ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন: ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই ধারাবাহিকতায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সফলতা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে।’
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে জাবি ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
রোববার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা ও সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চলের নেতৃত্বে পরিবহণ চত্বর থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, অমর একুশ চত্বর প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন: ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি দারিদ্র দেশে থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগেই গতকাল ভোরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি হচ্ছে দেশের তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারাবাহিক ও বড় ধরণের সফলতা।’
ছাত্রলীগের এ সভাপতি বলেন, ‘আজকের এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু নিজেই। সেই লক্ষ্যে তিনি গাজীপুরের বেতবুনিয়ায় একটি ভূউপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু ৭৫এর ১৫ আগস্টে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকদের হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছিলো। স্বাধীনতার ৪৭ বছরে এসে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তিনি ২০১৮ সালে এসে বাংলাদেশকে শুধূ উন্নয়নশীল দেশেই নয়, উন্নত বিশ্বের কাতারে দাড় করিয়েছেন।’
ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল বলেন: ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে একটি মর্যাদার আসন অলংকৃত করেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর পাশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সর্বদাই কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি সবসময় দেশের অগ্রগতির বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপতৎপরতা রোধে ছাত্রলীগ সবসময় তৎপর রয়েছে।’
আনন্দ মিছিল ও মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।







