চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবর্ষের ঐতিহাসিক মূল্য

কবির য়াহমদকবির য়াহমদ
৫:৪৯ অপরাহ্ণ ০১, জানুয়ারি ২০২০
মতামত
A A

যখন লিখি তখন প্রত্যেক লেখাকে স্বতন্ত্র বাতি হিসেবে দেখি। এ বাতি থেকে বিচ্ছুরিত আলোয় আলোকিত হয় ব্যক্তিগত পৃথিবী। এ হিসেবে লেখকের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আমি গুরুত্ব দিয়ে থাকি, আর লেখাগুলো সে চরিত্রের এক একটা স্মারক। লেখক হিসেবে ইতিহাসের দায় শোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা, দেশাত্মবোধ- এগুলো গুরুত্বপূর্ণ। সে হিসেবে বাংলাদেশ এবং দীর্ঘ মুক্তির সংগ্রামের চূড়ান্তরূপ আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এখানেই সামনে চলে আসেন শেখ মুজিব, বাঙালি যাকে সম্মান আর ভালোবাসায় বরণ করেছে বঙ্গবন্ধু হিসেবে।

‘জগতে কেউ জন্মগতভাবে মহান, কেউ মহত্বের লক্ষণ নিয়ে জন্মায় আর কেউ স্বীয় প্রচেষ্টায় মহানুভবতা অর্জন করে’- কথাগুলো উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের। মানুষের জীবনের বিভিন্ন পর্যায় এ কথাগুলোর মধ্যেই বিদ্যমান বলে ধারণা করি। তবে আমার কাছে তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় যারা এ দলগুলোর বাইরে তৃতীয় গোত্রভুক্ত। বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে আমার ভাবনা নাই তবে আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু এবং অতঃপর বাঙালি জাতির জনক হয়েছেন তিনি স্বীয় প্রচেষ্টায়, নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মাধ্যমে।

বাংলাদেশ নামের দেশের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর অস্তিত্ব ও সম্পর্ক নিবিড়ভাবে জড়িয়ে। যখন দেশে প্রবল প্রতাপে বিচরণ করে নাগরিক অধিকার, কথা বলার অধিকারসহ বিবিধ অধিকার নিয়ে কথা বলি, লিখি তখন বায়ান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি, ঊনসত্তর একাত্তরসহ দীর্ঘ স্বাধীনতা অর্জনের প্রক্রিয়াগুলো আমাকে চেতনার আলোয় আলোকিত করে। দীর্ঘ এই মুক্তির সংগ্রামকে স্বাধীনতায় রূপদান করতে বঙ্গবন্ধুর যে ভূমিকা একজন সৎ লেখক হিসেবে তা আমি অস্বীকার করতে পারি না। কোন সৎ লেখকের অস্বীকারের উপায়ও নাই।

স্বাধীনভাবে কথা বলা, স্বাধীনভাবে লিখতে পারার সুযোগ সৃষ্টির পথ দেখিয়ে দেওয়ার একজন বংশীবাদক হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে দেখছি। তিনি নিজেকে নিবেদনের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছেন সে পথ, তিনি অনুসন্ধান করতে বলেছেন সে পথ। আমরা অনুসন্ধান করেছি, আমরা পেয়েছি। আমাদের এ অনুসন্ধানের নাম মুক্তির সংগ্রাম আর প্রাপ্তিযোগের নাম একাত্তর এবং স্বাধীনতা।

আমার-আমাদের লেখালেখি ও স্বীকারোক্তিতে তাকে বাদ দেওয়াকে তাই আত্মপ্রতারণা বলেই মনে করি। আশার কথা, আমি আত্মপ্রতারক নই, বাংলাদেশের উল্লেখ করার মতো অধিকাংশ সৎ লেখকই আত্মপ্রতারক নন; তাই বঙ্গবন্ধু আমার কাছে, আমাদের কাছে প্রচলিত রাজনৈতিক সমীকরণধর্মী কোন নেতা নন; প্রকৃতই জাতির জনক!

রাজনীতি মুজিবকে জাতির জনক করেছে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি করেছে। রাজনীতির মাধ্যমে অর্জিত এই অভিধা হলেও স্বীকৃতিতে কোন রাজনীতি নেই। কারণ অস্বীকারের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম-প্রক্রিয়াকে অস্বীকার করা হয়। শেখ মুজিব বাংলাদেশের জাতির জনক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক-এসব স্বীকৃতির মধ্যে রাজনীতি নেই; এটা ইতিহাসের দায় শোধ। এই দায়শোধে আমরা যদি অস্বীকার করি তবে আত্মপ্রবঞ্চক হব।

Reneta

বাংলাদেশের দীর্ঘ মুক্তির সংগ্রাম থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- সবখানেই অবধারিতভাবে ছিল শেখ মুজিবের উপস্থিতি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পরেও এর স্বীকৃতিতে কারও বাধা ছিল না। কিন্তু পঁচাত্তরের বিয়োগান্তক দৃশ্যপটের পর শেখ মুজিবকে ইতিহাসের সোনালি অধ্যায় থেকে মুছে দেওয়ার একটা প্রবণতা শুরু হয়। তাকে মুছে ফেলার যে নীলনকশা সম্পাদিত হয় সেটা মূলত রাজনীতির কারণেই হয়েছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের দীর্ঘ মুক্তির সংগ্রাম থেকে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। ওই সময়ে স্বাধীন দেশের পক্ষে আর বড় কোন রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব না থাকার কারণে দলীয়ভাবে এই কৃতিত্ব তারা দাবি করতে পারে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যার পর আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর সেই অবদানকে অস্বীকার করার যে চেষ্টা শুরু হয়েছিল তা এখনও চলমান। আওয়ামী লীগবিরোধী বড় রাজনৈতিক দলের গঠন বঙ্গবন্ধুর হত্যার কয়েক বছর পর হওয়ার কারণে দেশের জন্মপ্রক্রিয়ায় দলটির কোন অবদান নেই। অথচ এক শ্রেণির রাজনৈতিক কর্মী মুক্তিযুদ্ধের এগারো সেক্টরের মধ্যকার একটা সেক্টর কমান্ডারকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করে মুক্তিযুদ্ধে দলটির অবদানকে সামনে আনতে মরিয়া। অথচ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে যে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার পুনঃপাঠ করেন সেটাও কোনভাবেই ছাব্বিশ মার্চে নয়, জিয়ার ঘোষণা পাঠ ছিল সাতাশ মার্চ। জিয়ার এই সাতাশ মার্চের ঘোষণার পুনঃপাঠকেও অস্বীকার করা যাবেনা, যেমনটা আলোচনার বাইরে রাখা যাবেনা আরও অনেকের মত আবদুল হান্নানের পাঠকেও।

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আরও ভুল ধারণা, ভুল প্রচারণা আছে আছে যা সাত মার্চ কেন্দ্রিক। বাংলাদেশের অতি-উৎসাহী অনেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা সংক্রান্ত ভুল করে থাকেন, কিন্তু সাত মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা দেননি। এই তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হলে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধকালীন বৈশ্বিক সমর্থন পেত না, এটাকে গৃহযুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে পাকিস্তানসহ তাদের মিত্র দেশগুলো প্রমাণ করে ছাড়ত। এখানে আছে দূরদর্শী এক নেতার চিত্র। উত্তাল রেসকোর্সের স্বাধীনতাকামী লক্ষ বুভুক্ষু জনতার চাওয়ার বিপরীতে ১৯ মিনিটের সেই সে ভাষণ যেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের বার্তাও ছিল প্রকাশ্য, কিন্তু ছিল না বিচ্ছিন্নতাবাদ। সেই ভাষণ এবং দিকনির্দেশনা একটি দেশকে নিয়ে গিয়েছিল মুক্তিসংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি মুক্তিযুদ্ধের দিকে। একাত্তরের বাংলাদেশে সেই মহাকাব্য দিয়েছিল মুক্তির পথ। সেই ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও মিলেছে ইতোমধ্যে। বিশ্ব ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে এ ভাষণ। লেখক ও ইতিহাসবিদ জ্যাকব এফ ফিল্ডের বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিচেস: দ্য স্পিচ দ্যাট ইনস্পায়ার্ড হিস্টোরি’ গ্রন্থেও স্থান পেয়েছে এ ভাষণ।

সাত মার্চ নিয়ে কবিতায় নির্মলেন্দু গুণ লিখেন- “একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য কি দারুণ অপেক্ষা আর উত্তেজনা নিয়ে লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে ভোর থেকে, জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি?’…. শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে রবীন্দ্রনাথের মত দৃপ্ত পায়ে হেঁটে অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন…. কে রোধে তাহার বজ্রকন্ঠ বাণী? গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তার অমর-কবিতাখানি: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।” কবির সে কবিতা ইতিহাসের এক দলিল, এক জীবন্ত সাক্ষী হয়ে সাক্ষ্য দিয়ে যাচ্ছে অহর্নিশ। জনসমুদ্রের ব্যাকুলতায় কবি যখন লিখেন ‘কখন আসবে কবি’ তখন ভাষণের প্রতি বার্ষিকীতে, প্রতি স্বাধীনতা দিবসে, প্রতি বিজয় দিবসেও টের পাই এক ঠাণ্ডাস্রোত; যে স্রোতে নিজেকেও হাজির করি রেসকোর্সে। আর ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বাক্যের প্রতি শব্দে টের পাই উত্তেজনার বারুদ, এই সাড়ে চার দশকের বেশি সময় পরেও। ‘সেই থেকে স্বাধীনতা আমাদের’- বাক্যে যেন পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার এক ভবিষ্যৎ পাঠ।

বঙ্গবন্ধু সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠেছিলেন তার নেতৃত্বগুণ ও দেশের প্রতি ভালোবাসার কারণে। কিন্তু তার দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে প্রান্তিক পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাকে কেবল নিজেদের লোক বলেই প্রমাণ করতে মরিয়া। অথচ তিনি ছিল সারাদেশের নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। যে বা যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সমর্থক তিনি যেমন তাদের নেতা, যে লোকগুলো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সমর্থক নন তিনি তাদেরও নেতা। বাংলাদেশের জন্মপ্রক্রিয়ার প্রতি ধাপ যেখানে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষা আর শ্রমে সিক্ত সেখানে তিনি তো বাংলাদেশের নেতাই।

১৯২০ থেকে ২০২০; ক্যালেন্ডারের হিসাবে ঠিক একশ বছর। অন্য সকলের জন্যে হিসাবটা ক্যালেন্ডারের হলেও বাংলাদেশি বাঙালিদের জন্যে এ হিসাব কেবল ক্যালেন্ডারের নয়; এ হিসাব বাঙালির জাতির জনক, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষের। এই জন্ম শতবর্ষে বাঙালির আবেগ আছে, এই জন্ম শতবর্ষের ঐতিহাসিক মূল্য আছে বাঙালির কাছে। তাই ক্যালেন্ডারের হিসাব স্রেফ ক্যালেন্ডারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাঙালির আবেগ আর উৎসবে স্থান পেয়েছে।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম। এ জন্ম ঐতিহাসিক কোন জন্ম না হলেও কালক্রমে হয়ে গেছে ইতিহাসের অংশ। পরাধীনতার শৃঙ্খলে হাঁসফাঁস করা বাঙালির মুক্তির দূত হয়ে ওঠেছিলেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেওয়া সেই খোকা কিংবা মুজিব। আর দশটা শিশুর মত জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, এরপর মুক্তির কাণ্ডারি হয়ে যাওয়া মুজিব হয়ে ওঠেছিলেন সংগ্রামের স্মারক, মুক্তির সাইনবোর্ড। প্রখর মুক্তির চেতনা, দূরদর্শী নেতৃত্বগুণ তাকে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে সারিতে নিয়ে এসেছে। নেতৃত্ব দিয়েছেন আন্দোলনে, নির্ধারণ করেছেন লক্ষ্য, পরিস্কার করেছেন উদ্দেশ্য। রাজনৈতিক জীবনের জেল-জুলুম উপেক্ষা করে লক্ষ্যে থেকেছেন তিনি স্থির, ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে নানা উসকানিতে লক্ষ্যচ্যুত না হয়ে নিজেকে সামলে নেওয়ার পাশাপাশি তিনি দেখিয়েছেন আন্দোলনের সঠিক পথ। তাই বায়ান্ন থেকে একাত্তরের সকল পর্যায়েই তিনি থেকেছেন সামনের কাতারে, দিয়েছেন নেতৃত্ব, বাঙালিকে এনে দিয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশ। এই সময়ে বঙ্গবন্ধু উপাধি পেয়েছেন তিনি, যথাসময়ে পেয়েছেন জাতির জনকের স্বীকৃতি।

বঙ্গবন্ধুর এই স্বীকৃতি তাকে মহান করেনি, বরং স্বীকৃতি প্রদানে বাঙালি মহান হয়েছে। বাঙালির দায়শোধের এই চেষ্টার বিপরীতে যদিও আছে কলঙ্কের আরেক অধ্যায় যেখানে এই বাঙালির মধ্যে থাকা কিছু আততায়ী রাতের আঁধারে গুলি চালিয়েছে জনকের বুকে। ইতিহাসের এই দুঃখগাথার সঙ্গে জড়িয়ে যেসকল বিশ্বাসঘাতক তাদের কয়েকজনকেও আবার এই বাঙালি ফাঁসির রজ্জুতে ঝুলিয়ে দিয়েছে প্রাপ্য প্রায়শ্চিত্ত। ওখানে যদিও কজন পলাতক তবু একটা অংশ যেখানে শাস্তি পেয়েছে সেখানে অন্তত নিজেকে প্রবোধ দেওয়া বৃথাসম চেষ্টা আমাদের। তবে ওখানে পূর্ণ সন্তুষ্টি নাই যখন পলাতকদের শাস্তি কার্যকরের দাবিও আছে আমাদের। সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া পলাতকদের দেশে এনে শাস্তি কার্যকরের।

ইতিহাসের স্বাভাবিক ঘটনাপ্রবাহে দেশে-দেশে যেমন নায়কের আবির্ভাব হয়, তেমনি পার্শ্বচরিত্রেও থাকে কিছু খলনায়ক। পঁচাত্তরের বিয়োগান্তক ঘটনা সেই সকল খলনায়কদের সামনে এনেছিল। যাদের শাস্তি কার্যকর হয়েছে তাদের বাইরেও আরও অনেকেই ছিল যাদের বিচারিক আদালতেও তোলা যায়নি মূলত বিচারিক সীমাবদ্ধতার কারণে। মৃত্যুতে দেশ যেখানে কারও বিচার করেনা সেখানে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আড়ালের অনেক খলনায়কেরা রাষ্ট্রীয়ভাবে দোষী সাব্যস্ত হয়নি। এ আমাদের সীমাবদ্ধতা। চাইলেও আমরা পারিনা এই সীমাবদ্ধতা ঘুচাতে।

এত কিছু সত্ত্বেও বাংলাদেশ আজ নতুন অধ্যায়ে পা দিয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতির জন্ম শতবর্ষে পা দিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে পালন করবে বাংলাদেশ। এটাকে কেন্দ্র করে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করবে সরকার। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে এই আয়োজনকে আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়ার প্রয়াসও রয়েছে সরকারের। ইউনেস্কোর মাধ্যমে নানা দেশ এই আয়োজনে শরিকও হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবর্ষে পা দেওয়া বাংলাদেশের সামনে এখন বঙ্গবন্ধুকে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য থাকা দরকার। এখানে উদার চিন্তার যেমন দরকার তেমনি দরকার কার্যকর কূটনৈতিক প্রয়াসও। বঙ্গবন্ধুকে কেবল দলীয় গণ্ডির মধ্যে একদল লোক সীমাবদ্ধ রাখতে যেমন চায়, আরেক দল লোক তার অবদানের পাশে প্রশ্নবোধক চিহ্ন জুড়ে দিয়ে তাকে অস্বীকার করতে চায়। এ দুদল লোকই প্রকৃত বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশপ্রেমি নয় বলেই ধারণা করি। এই প্রবঞ্চকেরা ইতিহাসের আততায়ী, পামর বিশেষ। এদের থেকে মুক্ত থাকুক মুজিববর্ষ এবং এদের থেকে মুক্ত থাকুক মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে গৃহীত কর্মসূচিগুলোও।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: বঙ্গবন্ধুমুজিব
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ কেন ভারতের অন্য রাজ্যগুলো থেকে আলাদা, নির্বাচন নিয়ে নানা কথা

এপ্রিল ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

এপ্রিল ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি: বাণিজ্য মন্ত্রী

এপ্রিল ২০, ২০২৬

ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র

এপ্রিল ২০, ২০২৬

সব দিন সবার জন্য ভালো যায় না: নাহিদ রানা

এপ্রিল ২০, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT