‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মিডিয়ার কল্যাণে এখন মডেল অভিনেতার ছড়াছড়ি। মাঝেমধ্যে নিজেই দ্বিধায় পড়ে যাই। আমাকে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় সবাই অভিনেতা! প্রোফাইলে দেখি আর্টিস্ট লেখা। ফেসবুকে সবাই মডেল অভিনেতা, অথচ সিনেমা করতে গেলে আমরা সবসময় শিল্পী খুঁজে পাইনা।’
রোববার চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে এমনটাই বলছিলেন শক্তিশালী চলচ্চিত্র অভিনেতা মিশা সওদাগর।
জনপ্রিয় এই চিত্রতারকা বলেন, প্রযুক্তির কল্যাণে এসব হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিকে আমরা গ্রহণ করবো। যেমন ওটিটি। এখানে স্টার কাস্ট ছাড়াই অভিনয়ের সুযোগ থাকে। গল্পই স্টার হয়ে থাকে। তবে ওটিটির আধিক্য দেখা গেলেও সিনেমা হল কখনও বন্ধ হবে না।
মিশা সওদাগর বলেন, সিঙ্গেল স্ক্রিন থেকে মাল্টিপ্লেক্সে রুপান্তর হবে। ওটিটি সময়ের সঙ্গে এসেছে বলে এটাকে আমি ওয়েলকাম করি। ওটিটি অনেক অভিনেতাকে তুলে আনছে। গ্ল্যামার ও বেশি পারিশ্রমিক ছাড়াই অনেকে ভালো কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক ওটিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শাহরুখ খান নিজের প্রডাকশন থেকে ওটিটির সঙ্গে কাজ করছেন। এগুলো সময়ের চাহিদা।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে ১৮ কোটি মানুষ। ওটিটির সব সেটিংস ঠিক করে এই মাধ্যমে দেখার মতো শিক্ষিত মানুষ এখনও হয়ে উঠেনি। কিন্তু কোটির উপর মানুষ হল থেকে ছবি দেখে। তাছাড়া ওটিটি আর সিনেমা হলে ছবি দেখার ফিলটাই পুরোটা ভিন্ন। একসময় থার্টি ফাইভে শুটিং করতাম। সেখান থেকে ডিজিটাল ফরম্যাট। তাই বলে বড় পর্দা হারিয়ে যায়নি, যাবেও না।
মিশা বলেন, আগামীতে হয়তো ফরম্যাট পরিবর্তন হয়ে সিঙ্গেল স্ক্রিন থেকে সিনেপ্লেক্সে যাবে, তাই বলে বড়পর্দা কখনও বিলীন হয়ে যাবে না। ইউটিউবের পর ওটিটি এল। ওটিটির পর হয়তো আগামীতে আরও অনেককিছু আসবে। তবে সিনেমা তার জায়গায় থাকবে। সময় ও প্রযুক্তির কল্যাণে হয়তো মাধ্যমটা পরিবর্তন হবে।








