বাংলাদেশের স্বল্পৈদর্ঘ্য ‘ক্ষতচিহ্ন’ বেদনাবোধ তৈরী করেছে দক্ষিণ এশীয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং দর্শকদের মধ্যে। নেপালের ললিতপুরে শুরু হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ফিল্ম সাউথএশিয়ার দ্বিতীয় দিনে প্রদর্শিত হয়েছে প্রদীপ ঘোষ নির্মিত ২৩ মিনিটের চলচ্চিত্র।
বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর সুপরিকল্পিত মৌলবাদী আঘাত তথা ধারাবাহিক বোমা হামলা এবং তার বিরুদ্ধে প্রগতিশীলদের নিরন্তর লড়াই নিয়ে তৈরী হয়েছে ক্ষতিচহ্ন-দ্য স্কার’।
১৯৯৯ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত উদীচীর ওপর একাধিক হামলা, ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলা, আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেণেড হামলা দেখানো হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে। নেয়া হয়েছে উদীচী হামলায় আহতের এবং নিহতের স্বজনের আবেগঘণ সাক্ষাৎকার।
ক্ষতচিহ্ন উৎসবের ফিল্মসাউথ এশিয়া ইন ডিসেন্ট বিভাগে নির্বাচিত তিন ছবির একটি। বাকী দুটি চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান থেকে। উৎসবের চেয়ারম্যান কনকমণি দীক্ষিত বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক লড়াই উৎসবে ৯ টি দেশের ৬৩টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। বাংলাদেশর ৩টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে উৎসবে। বাকী দুটি চলচ্চিত্র হল মোহাম্মদ রোমেল-এর ৫৮ মিনিটের ‘ওয়ার্কার্স ভয়েজ’ এবং ইয়াসমিন কবীরের ১০ মিনিটের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ’রশি’।
উৎসবে ২ নভেম্বর ললিতপুরের ইয়ালমায়া কেন্দ্রের কমলমণি থিয়েটারে শুরু হয় উৎসবটির ১১তম আসর। প্রতি ২ বছর পর পর এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯৭ সালে শুরু হয় এই উৎসব। উৎসবের উদ্বোধন করেন বিখ্যাত নির্মাতা এবং সমালোচক শশী থারু। তিনি উৎসবের উদ্বোধনীতে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রামাণ্য ডিজিটাল কণ্ঠস্বর এই চলচ্চিৃত্র উৎসব। যা শ্রেণী বৈষম্য এবং প্রথাবদ্ধতার বিরুদ্ধ স্বর হয়ে উঠতে সচেষ্ট রয়েছে।








