২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ের সময় কাঁধে চোট; অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে আসতে হল দেশে। ফিট হয়ে ওঠার আগেই ওপেনিংয়ে জায়গা পাকা করে ফেলেন সৌম্য সরকার। তাতে ধীরে ধীরে আড়ালেই যাচ্ছিলেন এনামুল হক বিজয়। জাতীয় দলে হারানো সেই জায়গাটা ফিরে পেতে সময় লেগে গেল প্রায় তিন বছর। ধারাবাহিকতার অভাবে ওয়ানডে দল থেকে সৌম্য বাদ পড়লেন, আর বিজয়ের সুযোগ মিলল মূল স্কোয়াডে।
শেষ দুই মৌসুম ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের ফল্গুধারা ছুটিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ১৬ সদস্যের দলে ওপেনার হিসেবেই জায়গা ফিরে পেয়েছেন বিজয়। একাদশে সুযোগ মিললে তার সামনের লক্ষ্য বাংলাদেশ দলকে ভাল ভাল ইনিংস উপহার দেয়া। সঙ্গে জায়গাটা পাকা করা।
লম্বা বিরতি গেছে। সেটাকে মনে রাখতে চান না। ঘরোয়া লিগে নিয়মিত পারফর্ম করে যাওয়ার পরও যখন ডাক আসছিল না, তখনই তো একমুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস হারাননি। এবার সময় সামনে তাকানোর। জাতীয় দলে ফেরার উচ্ছ্বাস জানাতে গিয়ে বললেন, ‘অনেকদিন পর জাতীয় দলে ফিরে ভাল লাগছে। যেমন রান করেছি, তাতে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে দলে ফিরবো।’
ঘরোয়া ক্রিকেটে এ মৌসুমে রানের বন্যা বইয়ে দেন বিজয়। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে চলতি মৌসুমে তার ব্যাট থেকে আসে হাজারেরও বেশি রান। এরমধ্যে আছে দুটি ডাবল সেঞ্চুরিও। ৫০ ওভারের ক্রিকেটেও তার ব্যাট ছিল ক্ষুরধার। বিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে সুযোগ পেয়ে করেন সাবলীল ব্যাটিং।

২০১২ সালে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক বিজয়ের। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই সেঞ্চুরি (১২০ রান) হাঁকিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বাংলাদেশের হয়ে ৩০টি ওয়ানডে খেলেছেন।








