পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) চলতি আসর মাঠে গড়িয়েছে একদিন হলো। এর মাঝেই একের পর এক ফিক্সিং বিতর্কে টালমাটাল ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট লিগটি। স্পট-ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টুর্নামেন্টের চলতি আসরে নিষিদ্ধ হয়েছেন মোহাম্মদ ইরফান। শুক্রবার একই অভিযোগে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার খড়গ নেমেছে শারজিল খান ও খালিদ লতিফের ওপর।
পিএসএলের দ্বিতীয় আসর বসেছে দুবাইয়ে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে জোরেশোরেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও শক্ত অবস্থান নিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। প্রাথমিকভাবে ছয় খেলোয়াড়ের ওপর তদন্ত এগোচ্ছে। সংখ্যাটা আরো বাড়তে পারে। আপাতত অভিযুক্ত তিনজনকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
এদের মধ্যে ইরফানের বিষয়টিই সবচেয়ে গুরুতর। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের এই বাঁহাতি পেসারের মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। যাতে ফিক্সিংয়ের শক্ত প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। শারজিল-লতিফও একই দলের খেলোয়াড়। লাহোর কালান্দার্স ও কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের কয়েকজন ক্রিকেটারও তদন্ত রাডারের মধ্যে আছেন।
৩৪ বর্ষী ইরফান পাকিস্তানের জার্সিতে ৬০টি ওয়ানডে, ২০টি টি-টুয়েন্টি ও ৪টি টেস্ট খেলেছেন। সব ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০৮ উইকেট তার। গত সেপ্টেম্বরে শেষবার দেশের জার্সিতে নেমেছিলেন তিনি।
শারজিল সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিয়মিতই। কিছুদিন আগে সিডনি টেস্ট দিয়ে সাদা পোশাকে অভিষেক হয় তার। পাকিস্তানের হয়ে ২৫টি ওয়ানডে, ১৫টি টি-টুয়েন্টি ও একটি টেস্ট খেলেছেন ২৭ বছরের এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। আর ৩১ বছর বয়সী খালিদ লতিফ দেশের জার্সিতে ৫টি ওয়ানডে ও ১৩টি টি-টুয়েন্টি খেলেছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে টি-টুয়েন্টি খেললেও ২০১০-এর জুনের পর ওয়ানডে দলে জায়গা মেলেনি তার।







