ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস। ফাইনালে জুভেন্টাসের প্রতিপক্ষ বার্সেলোনা । ক্লাব ফুটবল ভক্তরা এল ক্লাসিকো ফাইনাল দেখার সুযোগ না পেলেও ইটালিয়ান-স্প্যানিশ ক্ল্যাসিক ফুটবল দেখার সুযোগ পাবেন ৬ জুনের বার্লিন ফাইনালে।
দ্বিতীয় লেগে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও প্রথম লেগের জয়ে একযুগ পর ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইটালিয়ান চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাস।
জুভেন্টাসের মাঠে ২-১ গোলের পরাজয়ে পিছিয়ে ছিলো রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে জয় ছাড়া বিকল্প ছিলোনা রোনালদো-বেল-বেনজেমাদের। শুরু থেকে তাই আক্রমনাত্মক রিয়াল মাদ্রিদ। ৬ মিনিটে বেনজেমার ও ১১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে রোনালদোর ফ্রি কিক। তবে জাল খুঁজে পায়নি কোনটিই।
১৪ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ জুভেন্টাসের। আর্তুরু ভিদালের শট রুখে দেন সন্তো ক্যাসিয়াস। এরপর ১৯ মিনিটে বেনজেমার ক্রসের সাথে রোনালদোর মিস টাইমিং। ঠিক পর মুহূর্তেই ২৫ গজ দূর থেকে গ্যারেথ বেল এর দুর্দান্ত শট,তবে বুফনের হাতে পরাস্ত হয় সে চেষ্টা।
একের পর এক আক্রমণে জুভেন্টাসের রক্ষণ যখন দিশেহারা। ম্যাচের তখন ২২ মিনিট, হামেস রদ্রিগেজকে বক্সের ভেতর কিয়েলিনি ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। সুযোগ কাজে লাগান রোনালদো।গোল। এই গোলে রিয়ালের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ডি স্টেফানোকে ছুয়ে ফেললেন সিআর সেভেন।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধে মরিয়া জুভেন্টাস। ৫১ মিনিটে তেভেজের বাড়ানো বলে পগবার শট গোলপোস্ট খুঁজে না পেলেও ৫৮ মিনিটে পিরলোর ফ্রি কিক থেকে পল পগবার বাড়ানো বলে সাবেক ক্লাবের বিরুদ্ধে গোল দ্বিধা করেননি মোরাতা।
১-১ এ সমতায় এলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে যায় তুরিনের ক্লাবটি। শেষ পর্যন্ত গোল ব্যবধানে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকেই ফাইনালে ওঠে জুভরা। ১৯৮৫ ও ১৯৯৬ সালে শিরোপা জেতা জুভেন্টাস তাদের সাত ফাইনালের শেষটি খেলেছিল ২০০৩ সালে।







