শতবর্ষীয় কোপা আমেরিকার বিশেষ আসরের ফাইনালেও প্রতিপক্ষ হিসেবে পুনরাবৃত্তি ঘটলো গত ফাইনালের। কলম্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হলো চিলি।
ম্যাচের শুরুতেই চার্লস এ্যারানগুইজ আর জোস ফুয়েনজালিদার গোল দুটিতেই জয়
নির্ধারিত হয়ে যায়। প্রথমার্ধের এগারো মিনিটের মধ্যেই ২ গোলের লিড পাওয়া
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চিলির জাল আর খুঁজে পায়নি হামেজ রুদ্রিগেজের
কলম্বিয়া।
কলম্বিয়ার মধ্যমাঠের খেলোয়াড় জুয়ান কুয়াদ্রাদোর ভুলে পাওয়া বলটি জালে জড়িয়ে দিয়ে দলকে শুরুতেই আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন প্রথমার্ধের সপ্তম মিনিটেই এ্যারানগুইজ। ফুয়েনজালিদার ক্রসে হাওয়ায় ভাসানো বলটিতে ডি বক্সের ভেতরেই হেড করে একেবারে গোলমুখের সামনেই এনে দেন জুয়ান। আর সেই বলটিতেই জোড়ালো শটে প্রথম গোলটি করেন চিলির মিডফিল্ডার এ্যারানগুইজ।
পরের গোলটি পেতে চিলিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে আর মাত্র ৪ মিনিট। গোলকিপার ডেভিড ওসপিনার দূরপাল্লার শটটি দখলে নিয়ে জোড়ালো এক শট নেন ফরোয়ার্ড এ্যালেক্সিস সানচেজ। ক্লাউদিও ব্র্যাভোকে ফাঁকি দিতে পারলেও পোস্টে লেগেই ফিরে আসে বলটি। আর ডি বক্সের ভেতরেই বলটি পেয়ে সহজ লক্ষ্যে বল পৌঁছে দিতে আর ভুল করেনি ফুয়েনজালিদা।
খেলা প্রথমার্ধ শেষের দিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হয় ম্যাচটি। তবে পেকারম্যানের
শিষ্যদের লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা আরও কঠিন হয়ে যায় যখন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড
দেখে মাঠ ছাড়েন কার্লস সানচেজ। ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে দশ জনের দলে
পরিণত হয় কলম্বিয়া।
এর আগে এবার গ্রুপ পর্বেও দেখা হয়েছিলো আর্জেন্টিনা-চিলির। সেই ম্যাচে ২-১ গোলে জয় পায় নীল-সাদারা।
আগামী ২৭ জুনের ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে চিলি। ২০১৫ কোপা আসরেও প্রতিপক্ষ ছিল এই দুই দলই।
মেসিদের দীর্ঘ শিরোপা ঘোচানোর সেই ম্যাচটিতে পেনাল্টি শুট আউটে জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিক চিলি। আর প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে ভাসায় দলকে। এবার কি পারবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসি-হিগুয়েনের আর্জেন্টিনা?






