শ্রীলঙ্কার ছুঁড়ে দেওয়া ১৩৯ রানের টার্গেটে এখন ব্যাট করছে ভারত। মাত্র ১৫ রানে দুই উইকেট হারানো কাপুগেদারা-মেলিন্ডা জুটিতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা। এ জুটি থেকে আসে ৪৩ রান।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটে জয় পেয়েছে ভারত।
কোহলির সঙ্গে ৫৪ রানে পার্টনারশিপ গড়ে ফেরেন রায়না। সানাকার বলে কলাসেকারার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন বিরাট কোহলি এবং যুবরাজ সিং।
৪ রান বাদে ফেরেন আরেক ওপেনার রোহিত শর্মা। ফেরার আগে ১৪ বল খেলে তিনি সংগ্রহ করেন ১৫ রান। তিনিও কুলাসেকারার শিকার।
ধাওয়ানকে ফিরিয়ে লঙ্কানদের প্রথম সাফল্য এনে দেন কুলাসেকারা। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান।
শুরুতেই টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। নেহরা-বুমরাহর বোলিং তোপে লঙ্কান ওপেনিং জুটির প্রথম ১৪ বল থেকে আসে মাত্র ৬ রান।
তৃতীয় ওভারে চান্ডিমালকে ফিরিয়ে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নেহরা। উইকেটের পেছনে থাকা ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
চান্ডিমালের ফেরার ৯ রান বাদেই ফেরেন সেহান জয়সুরিয়া। বুমারাহর বলে তিনিও ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১৫।
৭ম ওভারে দিলশানকে ফিরিয়ে লঙ্কান ব্যাটিং লাইন আপকে চেপে ধরেন হার্দিক পান্ডে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান।
দলীয় ৫৭ রানের চতুর্থ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ১১তম ওভারে চতুর্থ বলে ম্যাথুসকে সরাসরি বোল্ড করেন পান্ডে।
কাপুগেদারা-মেলিন্ডা জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। তাদের জুটিতে আসে ৪৩ রান। এরপরই ফেরেন মেলিন্ডা। আশ্বিনের বলে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান।
স্কোর বোর্ডে ৪ চার রান যুক্ত হতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সানাকা। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১০৪।
১ রান বাদে কাপুগেদারাও ফিরে গেলে লঙ্কানদের রানের চাকা থমকে যায়। বুমারাহর বলে পন্ডের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ৩০ রান।
শেষ দিকে পেরেরার ৬ বলে ঝড়ো ১৭ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস।






