লাঞ্চের পর শুরু থেকেই আক্রমণে তাসকিন। মেপে মেপে অফস্টাম্পের বাইরে ডেলিভারি। সাদা চোখে ‘বাজে’ বল। কিন্তু কৌশলী চোখে এটা ফাঁদ। যাতে পা দিয়ে ভারতের দুই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান বিদায় নিয়েছেন। পরে জোড়া আঘাত করেছেন সাকিবও।
নতুন ব্যাটসম্যানরা সাধারণত বেশি বাইরের বলে ব্যাট দিতে চান না। সেট হওয়ার একটা ব্যাপার থাকে। কিন্তু একটানা বাইরের বল পেলে অনেকে চুপ থাকতে পারেন না। সেটাতেই কাজ হলো।
প্রথমে মুরালি বিজয় (৭)। শর্ট বলে কাট করতে যেয়ে কানায় লাগান। নিজের পরের ওভারেই লোকেশ রাহুলকে ফেরান তাসকিন। শরীরের বাইরে শর্ট বলে থার্ডম্যান আর ডিপ-পয়েন্ট’র ভেতর দিয়ে শট খেলতে যেয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় ৪ উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ ১৫৯। বাংলাদেশকে ফলোঅন না করিয়ে ব্যাটে নেমে সব মিলিয়ে ৪৫৮ রানে এগিয়ে স্বাগতিকরা। ক্রিজে আছেন পূজারা ৫৪ এবং জাদেজা ১৬ রানে।
ভারত প্রথম ইনিংসে ৬৮৭ রান তোলার পর ‘ডিক্লেয়ার’ করে। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায়। পরে সাকিব-মুশফিক ১০৭ রানের জুটি গড়লে কিছুটা স্বস্তি ফেরে। এরপর মিরাজকে নিয়ে টাইগার দলপতি নিরাপদে দিন পার করেন। কিন্তু চতুর্থ দিন সেই ছন্দ আর ধরে রাখতে পারেননি। ৩৮৮ রানের মাথায় অলআউট হয়ে যান।








