বিশিষ্ট কলামিস্ট, লেখক, কবি ফরহাদ মজহারকে খুঁজে পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ফরহাদ মজহারের পরিবার। সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ফরহাদ মজহারের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে তার স্ত্রী ও কন্যা এই দাবি জানান।
তারা বলেন, যেহেতু ঘটনার ১৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে, তাই স্বাভাবিকবাবেই তারা উদ্বিগ্ন। এছাড়া ফোন করে মুক্তিপণ চাওয়ায় ঘটনাটিকে তারা আর নিখোঁজ বলতে চাননা। তারা ঘটনাটিকে অপহরণ বলছেন।
ঘটনার কারণ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা বলেন, তারা কোন কিছু অনুমান করতে চান না। তাদের কাছে ফরহাদ মজহারের নিরাপত্তা এবং ফিরে আসাই গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপির বিবৃতি বিষয়ে তিনি বলেন, এটি বিএনপির ব্যাপার, তাদের না। ফরহাদ মজহার তো আর বিএনপির সদস্য না। তিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে স্বামীকে ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তেক্ষেপ কামনা করেন।
ফরহাদ মজহারের কন্যা বলেন, পুলিশের কাছে ফোন ট্র্যাক থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য আছে, সরকার সব তথ্য জানে, তাই তাকে খুঁজে বের করতে না পারা হবে সরকারের জন্য ব্যর্থতা, এটি সরকারের জন্য খারাপ বয়ে আনবে। বিএনপির বিবৃতিকে তিনিও বিএনপির ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ফরহাদ মজহারের মতো একজন বুদ্ধিজীবী ও প্রতিবাদি মানুষের অপহরণ হয়ে যাওয়া দুঃখজনক। এটি সরকারের ব্যর্থতা, এটি ভুল কাজ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দুরদর্শী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ঘটনা প্রধানমন্ত্রী জানেন না তা হতে পারেনা ‘ তিনিও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সকলেই বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।








