সোমবার দিবাগত রাতে উদ্ধারের সময় ফরহাদ মজহারের সঙ্গে একটি ব্যাগ পাওয়া গেছে বলে জানায় পুলিশ। কিন্তু সেই ব্যাগটি তার কাছে কোথা থেকে এলো তা জানেন না ফরহাদ মজহারের মেয়ে সম্তলী হক।
মঙ্গলবার সকালে চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, বাড়ি থেকে তার বেরিয়ে যাওয়ার সময় ভিডিও ফুটেজে তার সঙ্গে কোনো ব্যাগ ছিলো না। সেটা আমরা দেখেছি, সবাই দেখেছে। পরে তার কাছে কোথা থেকে ব্যাগ এলো তা আমরা জানি না।
মঙ্গলবার সকালে থানায় বাবা ফরহাদ মজহারের সঙ্গে দেখা করেন তার মেয়ে সম্তলী হক। তিনি বলেন, তাকে অনেক বেশি ট্রমাটাইজড দেখাচ্ছিলো, বিষন্ন দেখাচ্ছিলো। বাড়ি থেকে খাবার এনে তাকে নাস্তা করানো হয়েছে।
ফরহাদ মজহারকে গতরাতে যশোরের নোয়াপাড়া থেকে হানিফ পরিবহনের বাস থেকে উদ্ধারের পরে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর আদাবর থানায়। সেখান থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয় ডিবি অফিসে।
সোমবার ভোর ৫টা ৫ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডের ‘হক ভবন’ থেকে স্বাভাবিক পোশাকে, স্বাভাবিকভাবে হেঁটে বের হয়েছিলেন ফরহাদ মজহার। ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তার স্ত্রী ফরিদা আখতারের মোবাইল ফোনে ফরহাদ মজহার নিজেই জানিয়েছিলেন, কেউ তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
সেসময় তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলেও আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। ফরহাদ মজহার নিয়মিত যে নম্বর ব্যবহার করেন তার বদলে মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন এমন নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে ফোন আসে।

প্রয়োজন হতে পারে জানিয়ে ফোনে ফরহাদ মজহার নিজেই ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলেছিলেন।
এরপর নিখোঁজ লেখক-কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তার মোবাইল ট্রাকিংয়ের ম্যাধমে মোবাইলের লোকেশন সনাক্ত করে খুলনার কেডিএ অ্যাপ্রোচ রোড এলাকায় অভিযান চালিয়েছিল র্যাব।
সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় নগরীর সোনাডাঙ্গা অ্যাপ্রোচ রোড ও ইব্রাহিম মিয়া সড়কে এ অভিযান শুরু হয়েছিল। রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত ইব্রাহীম মিয়া সড়কের ১০/১২টি বাড়িতে র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়েছিল।








