লিগ ওয়ানে বোর্দোর বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে পিএসজি। দুবার এগিয়ে গিয়েও প্রত্যাশিত জয় পাননি তারা। পয়েন্ট হারানোর ম্যাচে প্যারিস সাঁ সাঁ’র চিন্তা আবারও বাড়িয়েছে নেইমারের ইনজুরি। ম্যাচের মাঝপথে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।
রোববার রাতে বোর্দোর মাঠে ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখে পিএসজি। ৩৪ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলও পেয়ে যায়। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানি আলভেজের বাড়ানো বল ডান পায়ের শটে জালে পাঠান তার জাতীয় দল সতীর্থ নেইমার।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বোর্দোকে সমতায় ফেরান ফরাসি ফরোয়ার্ড জিমি ব্রিয়াঁ।
তবে ৬৬ মিনিটে উইলিয়ান ড্রাক্সলারের পাস পেয়ে জোরাল শটে পিএসজিকে আবারও এগিয়ে দেন কাইলিয়ান এমবাপে। ৮৪ মিনিটে ফের গোল খেয়ে বসে পিএসজি। হেডে গোলরক্ষক আলফুঁস আরিওলাকে পরাস্ত করেন ডেনমার্কের ফরোয়ার্ড আন্দ্রেয়াস কর্নিলিউস। এরপর কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি।
ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে নেইমারের ইনজুরি নিয়ে বেশি চিন্তায় পিএসজি। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে পায়ের সমস্যার কারণে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন বার্সেলোনার সাবেক তারকা। তার বদলি হিসেবে জার্মান স্ট্রাইকার এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মোটিং মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে টানেল দিয়ে সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান নেইমার। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসাও নিতে দেখা গেছে।
নেইমারের ইনজুরি গুরুতর কিছু নয় বলে জানানো হয়েছে পরে। তবুও চিন্তায় কোচ থমাস টুখেল। কারণ ক্যামেরুনের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ইনজুরিতে পড়ার পর গত সপ্তাহে লিগ ওয়ানে তুলুজের বিপক্ষে খেলতে পারেননি নেইমার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের বিপক্ষে খেললেও পুরো ফিট ছিলেন না বলে পরে জানানো হয়।
নেইমারের একই সময় ইনজুরিতে পড়েছিলেন এমবাপেও। তিনি অবশ্য বোর্দো ম্যাচে খেলে গোলও করেছেন।
১৫ ম্যাচে ১৪ জয় ও এক ড্রয়ে শীর্ষে থাকা পিএসজির পয়েন্ট ৪৩। ২৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে মঁপেলিয়ে।








