শৈশবে এক চোখ নষ্ট হয়েছে, চিকিৎসার অভাবে দ্বিতীয় চোখও এখন হারাতে বসেছে হবিগঞ্জের এক মেধাবী ছাত্রী শেখ মোহাম্মদ সুলতানা আক্তার। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে ধুকে মরছেন তার বাবা।
স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী সুলতানা। এক চোখ পুরোপুরি অন্ধ আর অন্য চোখে অস্পষ্ট আলো নিয়েই এতো পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে সে।
অর্থের অভাবে চিকিৎসা না হওয়ায় তৃতীয় শ্রেণিতে ওঠার আগেই হারিয়েছে প্রথম চোখ। এর পর থেকে কমে যেতে থাকে দ্বিতীয় চোখের আলোও।
সুলতানা আক্তার বলেন, এক চোখে একবারেই দেখতে পারি না। টাকা থাকলে অপারেশন করে কিছুটা ভালো করা যেতো।
মাত্র এক লাখ টাকার জন্য চিকিৎসা শুরু করতে পারছে না পরিবারটি। সুলতানা আক্তারের বাবা শেখ মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রী হিসেবে মোটামুটি ভালোই ছিলো। চোখের অসুবিধায়, চোখে যন্ত্রণার কারণে লেখাপড়াটা মনোযোগ দিয়ে করতে পারে না। আর্থিকভাবে দুর্বল বলে চিকিৎসা করাতে পারি না।”
হবিগঞ্জ কবির কলেজিয়েট একাডেমির অধ্যক্ষ মোঃ জালাল উদ্দিন শাওন বলেন, “স্বাভাবিকভাবে এই মেয়েটি যখন এই অবস্থায় কলেজে হাজির হয় এটা দেখতেও ততটা সুশ্রী নয়। তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে মেয়েটির একটি সুন্দর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে।”
সবার সহায়তা নিয়ে চোখের আলো ফিরে পেতে চায় মেধাবী এই শিক্ষার্থী।






