প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আর্থিক অনিয়ম: চাপা থাকা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

পরিদর্শনে যাননি কিন্তু সরকারি বিল নিয়েছেন ঠিকই। আবার সকালে চট্টগ্রাম, খানিকক্ষণ পরে বরগুনার পাথরঘাটা পরিদর্শন করে বিল তুলেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা।
দীর্ঘদিন চাপা থাকা একটি তদন্ত প্রতিবেদনে টিএ/ডিএ এবং সম্মানী গ্রহণে কর্মকর্তাদের মিথ্যাচারের চিত্র উঠে এসেছে। ২০১৫ সালের ১৫ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবীর দীর্ঘ তদন্ত শেষে এ প্রতিবেদন জমা দেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩ জন কর্মকর্তা সম্মানী, টিএ/ডিএ যেমন অতিরিক্ত উত্তোলন করেছেন তেমনি একই ব্যক্তি একাধিক স্থান থেকে একই তারিখে সম্মানী নিয়েছেন। একই কাজের জন্য নিয়েছেন একাধিক সম্মানী।
ওই সময়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ ৭ জন ভ্রমণ বিল উত্তোলনে অনিয়ম করেছেন বলেও তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। অতিরিক্ত মহাপরিচালক পরে মহাপরিচালক হলে তদন্ত রিপোর্ট আর আলোর মুখ দেখেনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ঘটনাটি জানতে পাঁচ বছর পর তদন্ত রিপোর্ট বের করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। সচিব বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না।
তদন্ত রিপোর্টে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিস্তারিত দেখুন মোস্তফা মল্লিকের ভিডিও প্রতিবেদনে:






