এই মুহূর্তে প্রাণভিক্ষা ছাড়া আর কোনো আবেদন বা আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
দুপুরে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলেও সাকার স্ত্রী বলেছেন, ন্যায়বিচার হয়নি দাবি করে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে আরেকটি আবেদন করবেন।
আর মুজাহিদের ছেলে আলী আহমেদ মাগরুব প্রাণভিক্ষার আবেদনের সম্ভাবনার কথা নাকচ করে বলেছেন, তার বাবা আগে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে চান।
কিন্তু এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামীর পরিবারের পক্ষ থেকে আইনজীবীদের সাক্ষাতের অনুমতির যে দাবি করা হচ্ছে তার আর কোনো সুযোগ নেই। অন্য কোনো আবেদনেরও সুযোগ নেই। একমাত্র তারা রাষ্ট্রপতি বরাবর প্রাণভিক্ষার আবেদন করতে পারেন।
কারা কর্তৃপক্ষ বলেছে, দুই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দুই যুদ্ধাপরাধী দোষ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাণভিক্ষার আবেদন গ্রহণ করা বা না করা পুরোপুরি রাষ্ট্রপতির উপর নির্ভর করছে। রাষ্ট্রপতি আবেদন প্রত্যাখান করলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরে কোনো বাধা থাকবে না।
কারা কর্তৃপক্ষ এরইমধ্যে প্রস্তুত রেখেছে ফাঁসির মঞ্চ। সকালে ম্যাজিস্ট্রেটরা ফাঁসির মঞ্চ ও কারাগারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন।
শীর্ষ এই দুই যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে কারাগারের বাইরেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ খারিজের রায়ের কপি কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছানো হয়।
রাত সাড়ে দশটার কিছু পরে আসামীদের রায় পড়ে শোনান সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির।







