প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতির দায়ে ৬৩ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিস্কার করার সুপারিশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা পরিষদ। সকাল সাড়ে দশটায় শৃঙ্খলা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জালিয়াতির ঘটনায় এ নিয়ে আজীবন বহিস্কৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৭৮ জনে। এরআগে একই অভিযোগে ১৫ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ৯ জনকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী জানান, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁস মামলায় ১২৫ জনকে আসামী করে চার্জশীট দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি। আসামীদের মধ্যে ৮৭ জনই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।’
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত ১৫ জনকে আগেই আজীবন বহিস্কার করেছিল কর্তৃপক্ষ। বাকিদের কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় আরও ৬৩ জনকে স্থায়ী বহিস্কারের সুপারিশ করেছে শৃঙ্খলা পরিষদ।’
এছাড়াও বিভিন্ন সময় ছিনতাই ও মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ১৩ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কেন তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না— তা জানতে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মুহসীন হলে অস্ত্রসহ আটক হওয়া চার জনকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে এ বিষয়ে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রক্টর।








