চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

প্রশ্ন ফাঁস: কোচিং সেন্টার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমাজ  

শেখ আদনান ফাহাদশেখ আদনান ফাহাদ
১২:০৪ অপরাহ্ন ১০, ফেব্রুয়ারি ২০১৯
মতামত
A A

৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়। বিষয়টি কতখানি লজ্জার, সেটি বোঝার সামর্থ্যও কি আমাদের অবশিষ্ট আছে? জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি দুর্নীতিমুক্ত, সুস্থ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

এই বাঙালি জাতিরই কিছু কুলাঙ্গার ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করলে পথ হারিয়ে ফেলে বাংলদেশ; দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের মূল চরিত্র হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের স্বভাব নষ্ট হয়ে যায়।  সেই পথ হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকে আবার পথে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন সরকারের সূচনালগ্নে শেখ হাসিনা শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন সাবেক সফল পররাষ্ট্র মন্ত্রী, জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য রাজনীতিবিদ ডা. দীপু মনি এমপিকে।

সুন্দর রাষ্ট্র গঠনের এই দায়িত্ব কি কেবল প্রধানমন্ত্রীর আর তাঁর সরকারের মন্ত্রীদের? সব চেষ্টা কি শুধু শেখ হাসিনাই করবেন? নাকি সাধারণ মানুষেরও করার আছে অনেক কিছু? শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের কিছু করার নেই?

গত দশ বছরে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অর্জন আছে অনেক। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের তালিকায় নিজের নাম উঠাতে সক্ষম হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন, শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্য, মাথাপিছু আয়, ইত্যাদি নানা সূচকে বাংলাদেশ অসাধারণ সব অর্জন দেখিয়েছে। কিন্তু নুরুল ইসলাম নাহিদ সাহেবের আমলে একের পর এক প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় সরকার, দল ও জনমনে চরম হতাশা বিরাজ করত। একে তো প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যেত, অন্যদিকে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বাস্তবতা অস্বীকার করে মানুষের হতাশা আরও বাড়িয়ে দিতেন। তবে বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে চকচকে নতুন বই তুলে দিয়ে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ঐতিহাসিক সাফল্য দেখিয়েছেন।

অবশেষে ২০১৮ সালে এসে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হয়। তবে সেই কৃতিত্ব শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবকদের নয়। এমনকি সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী র‍্যাব এর কার্যকর তৎপরতায় প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হয়। কিন্তু র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করতে হবে কেন? প্রশ্ন ফাঁস নীতি-নৈতিকতার শক্তি দিয়ে বন্ধ করতে হবে। তাহলেই স্থায়ী সমাধান বের হয়ে আসবে। বন্দুকের চেয়ে নীতি-নৈতিকতা আর আদর্শের শক্তি অনেক বেশী। অথচ এই জিনিসটিই আমরা দিন দিন হারিয়ে ফেলছি।

নতুন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিয়ে বলেছেন, যে কোনো মূল্যে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা এবং এ কাজে যারা অতীতে জড়িত ছিল এবং সামনে যদি চেষ্টা করে তাদেরকে আইনের আওতায় যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Reneta

তিনি এ-ও বলেছেন যে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তা পেলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা সম্ভব। বিগত দিনে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া সম্পর্কে দীপু মনি সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের যত বেশি চাহিদা থাকে সেটি বের করার জন্য যারা অসদুপায় অবলম্বন করে তারা ফাঁকফোকর খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। আমাদের দায়িত্ব, ‘এটি যাতে কোনোভাবেই বের না হয় এবং এক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিরাট ভূমিকা রাখতে পারেন’।

এদিকে, কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালে করা সরকারের নীতিমালা বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সেজন্য কারণ দর্শাতে নোটিশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ওইসব নোটিশ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ নিয়ে ওই শিক্ষকেরা হাইকোর্ট রিট আবেদন করেন। তখন হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। রুলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন হাইকোর্ট। যেহেতু নীতিমালাটি বৈধ ঘোষণা হলো, সেহেতু কোচিং বাণিজ্য ঢালাওভাবে যেটা হচ্ছিল সেটা বন্ধ হলো। নীতিমালায় কিছু বিধি দেওয়া আছে।

ক্লাসের অতিরিক্ত সময়ে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থীদের তারা পাঠদান করাতে পারবেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে, কত ফি হবে সব এই নীতিমালায় বলা আছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে কোচিং সেন্টারগুলোর যোগসূত্র আছে বলে দাবি করছে সরকার। এক্ষেত্রে মহামান্য আদালতের রায় আমাদেরকে আলোর দিশা দিতে পারে।

স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা চাকুরি করেন, তারা যেন কোনোভাবেই কোচিং ব্যবসা বা শিক্ষার সাথে যুক্ত হতে না পারেন সেজন্য কড়া আইন করে বাস্তবায়ন করতে হবে। স্কুল/কলেজের শিক্ষকদের একটা অংশের অভাবে স্বভাব নষ্ট হয়ে গেছে। বাড়তি উপার্জনের পথ হিসেবে অনেক শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের ছেলে-মেয়েদেরকে তাদের কাছে পড়তে বাধ্য করেন। না হলে মার্কস কম  দেন, ফেল করিয়ে দেন।

শিক্ষার্থীদেরকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য স্কুলের প্রশ্ন ফাঁস করে দেন। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তবতা। শুধু কি এসএসসি বা এইচএসসির মত বড় পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে দেয়া হয়? ক্লাস সিক্স থেকে টেন পর্যন্ত স্কুলের অভ্যন্তরে কত পরীক্ষার প্রশ্ন কতভাবে ফাঁস হয়ে যায় সেটি কি কেউ খবর নিয়েছে?

অন্যদিকে স্কুল-কলেজ এর শিক্ষক নন এমন অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে তবে কোচিংকে ঘিরে।  বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের অনেকে কোচিং ব্যবস্থায় জড়িত। পাশাপাশি সরকারি চাকুরি পাননি, কিন্তু কোচিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফুলটাইম জব করে অনেক মানুষ নিজেদের ও পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করছেন। ঢালাওভাবে কোচিং সেন্টারগুলোকে প্রশ্ন ফাঁসের জন্য দায়ী করার প্রবণতার বিরুদ্ধে সোচ্চার কোচিং সেন্টারের মালিকরা।

তারা বলছেন, প্রশ্ন ফাঁসের জন্য যদি কোনো কোচিং সেন্টারের মালিক বা শিক্ষক জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের আইনে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া হোক। এক/দুইজনের অপরাধের জন্য পুরো ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে নন তারা।

বুয়েট এর সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. কায়কোবাদ নিজের একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দেশের আপামর জনসাধারণের উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটেছিল বিচার বিভাগীয় একাধিক কমিটি তৈরির মাধ্যমে’। নানা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট থেকে প্রতীয়মান হয় যে কোচিং সেন্টারগুলোকে যেভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয় ততটা সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয় নি।

প্রকৃতপক্ষে পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকাণ্ডেই কিন্তু কোচিং সেন্টারের সংশ্লিষ্ট কাউকে দায়িত্ব প্রদান করার কথা না। প্রশ্ন প্রণয়ন করেন শিক্ষকেরা, মডারেশন করেন শিক্ষকেরা, টাইপ করা ছাপানো, কেন্দ্রে প্রেরণ এর কোনো কিছুতেই কোচিং সেন্টারের লোকজনের সংশ্লিষ্টতা নেই। কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানোর দায়িত্বও হয়তো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের করার কথা। হয়তো প্রত্যন্ত অঞ্চলে পর্যাপ্ত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অভাবে শিক্ষকেরা কেন্দ্রে পৌঁছানোর দায়িত্ব পালন করে থাকেন। মোটের ওপর কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানো পর্যন্ত কোচিং সেন্টারগুলোর কোনো ভূমিকা নেই। তারপর পরীক্ষার খাতা পরীক্ষকদের মধ্যে বিতরণ, নম্বর  প্রদানসহ আরও যত কর্মকাণ্ড আছে তাতেও তাদের সম্পৃক্ততা নেই। তাহলে তাদের কেন বলির পাঠা বানানো হচ্ছে?

অধ্যাপক কায়কোবাদ আরও লিখেছেন, ‘এমনকি উন্নত দেশসমূহেও কিন্তু কোচিং সেন্টারের বিস্তার রয়েছে। কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশও কোচিং থেকে মুক্ত হতে পারে নি যাদের স্কুল কলেজগুলো শিক্ষক,পাঠ্যপুস্তক, ল্যাবরেটরি দিয়ে অনেক সমৃদ্ধ। আমরা কীভাবে ভাবতে পারি যে আমাদের দেশ কোচিং মুক্ত হবে? আমরা কী তার জন্য শিক্ষায় যোগ্য বরাদ্দ দিচ্ছি, আমাদের স্কুল কলেজের পাঠদান কী শিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জনের জন্য যথেষ্ট? কোচিং  সেন্টারের প্রতি গোটা সমাজের আগ্রহ থেকে বুঝতে হবে আমাদের স্কুল কলেজে পড়ালেখায়  ঘাটতি রয়েছে, পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, যোগ্য শিক্ষকের অভাব রয়েছে। যতদিক এই সমস্যাগুলো যথেষ্ট ভালোভাবে মোকাবেলা করতে না পারছি ততদিন এর বিকল্প সমাধানের কথা ভাবতে হবে।

পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে কোচিং ব্যবস্থা আছে। তবে অন্য টার্ম ব্যবহার করা হয়। বলা হয় ‘ছায়া-শিক্ষা’। স্কুল/কলেজের শিক্ষকদের আপ্রাণ চেষ্টার পরেও একজন ছাত্র/ছাত্রী যখন কোনো বিষয় বুঝতে বা শিখতে ব্যর্থ হয়, তখনই বাড়তি প্রয়াস হিসেবে ‘ছায়া-শিক্ষা’ কেন্দ্রে যায়। আমাদের দেশের স্কুল-কলেজের কতজন শিক্ষক আছেন যারা জাপান বা সাউথ কোরিয়ার মানের? অন্যদিকে কোচিং সেন্টারগুলোতে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছেলেমেয়েরা পড়াচ্ছে। এরা আবার শিক্ষাজীবন শেষে শিক্ষকতায় আসবে না। কারণ শিক্ষকতার চাকুরি বাংলদেশে অবহেলিত। বিশেষ করে বুয়েটে পড়া কেউ বাংলাদেশের হাইস্কুলের, এমনকি কলেজের শিক্ষক হবে এমনটা বোধহয় আশা করার মত বাস্তবতা বাংলাদেশে এখনো তৈরি হয়নি।

অন্যদিকে মেধাবীরা হাইস্কুলের মত প্রতিষ্ঠানে জয়েন করতে চেয়েও অনেক সময় পারে না, স্থানীয় রাজনীতিবিদদের নেতিবাচক প্রভাবে।

ফলে স্কুল-কলেজে মেধাবী শিক্ষককদের অভাবের সুযোগ নিয়ে অন্য কোনো মেধাবী মানুষ যদি নিজের মেধা আর শ্রম দিয়ে কোচিং ব্যবসা করে কোটি টাকার মালিক হয়, তাহলে তাকে জোর করে থামিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না। মানুষের ভেতরে কোচিং সেন্টারের চাহিদা রয়েছে বলেই ছেলে-মেয়েদেরকে পাঠাচ্ছে। কিংবা বলা যায়, কিছু কিছু কোচিং সেন্টার শিক্ষার্থীদের জীবনে হয়তো বাড়তি কিছু যোগ করতে পেরেছে। বিশেষ করে অংক, বিজ্ঞানের মত জটিল বিষয়ে অনেক স্টুডেন্টকে দেখেছি নিজের স্কুল/কলেজ থেকে কোনো কোনো কোচিং সেন্টারকে অধিক গুরুত্ব দেয়। সম্ভবত, বুয়েট এর মত প্রতিষ্ঠানের ছেলে-মেয়েরা অংক, বিজ্ঞান ভালো পড়াতে পারে বলেই শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের এত কদর।  স্কুল-কলেজের শিক্ষকতার চাকুরীতে এসব মেধাবী ছেলে-মেয়েদের রেখে দিতে পারলে বোধহয় বাংলাদেশে কোনো কোচিং সেন্টার চলত না।

পরিশেষে, প্রশ্ন ফাঁসের কথা দিয়েই লেখা শেষ করি। পুলিশ-র‍্যাব-ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার সাফল্য সাময়িক। নীতি-নৈতিকতা আর প্রযুক্তির শক্তিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। সব অভিভাবক আর তাদের সন্তানেরা যদি সততার শক্তিতে প্রশ্নফাঁসকারীকে পুলিশে ধরিয়ে দেন তাহলেও সম্ভব প্রশ্ন ফাঁসের স্থায়ী সমাধান।

অন্যদিকে এমন প্রযুক্তি দিয়ে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া যায়, যার মাধ্যমে কয়েক লাখ শিক্ষার্থীর সবাই একাধিক ‘মাদার সেট’ থেকে সৃষ্ট ইউনিক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে। অর্থাৎ সবাই একইমানের কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে। কারও সাথে কারও প্রশ্নের মিল থাকবে না; ফলে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেলেও কোনো লাভ হবে না। এমন পদ্ধতি আমাদের জানামতে বাংলাদেশে আছে, কিন্তু সরকারের উচ্চমহলের কাছে পৌঁছাতে পারছে না আমলাতান্ত্রিক কারণে।

একটি রাষ্ট্র তখনই সঠিকপথে এগুবে যখন সরকার বেসরকারি খাতের মেধাবীদের সাথে নিয়ে কাজ করবে। শুধু আমলা দিয়ে এবং তাদের পরিকল্পনাকে পুঁজি করে পৃথিবীর কোনো দেশ উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছাতে পারেনি।

সরকারের উচিত হবে বেসরকারি খাতের মেধাবীদের খুঁজে বের করা এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নের গতিকে আরও দ্রুত ও টেকসই করতে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করা।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: কোচিং সেন্টারপ্রশ্ন ফাঁসশিক্ষক-শিক্ষার্থী
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

বড় জয়ে শীর্ষ ধরে রাখল বার্সেলোনা

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-আর্সেনাল-চেলসি

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

‘পাকিস্তান জিতেনি, আমরা খেলাটি হেরেছি’

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ভারতের

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
ছবি ‍সংগৃহীত

নির্বাচনে কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ নেই : ইসি মাছউদ

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT