প্রবাসে বিশ্বাস ঘাতকতা বা প্রতারণা শিকার হলে কি করতে হবে তা হয়তো অনেকেই জানে না। তবে বিশ্বাসঘাতক বা প্রতারককে ধরার অনেক উপায় আছে।
আপনাকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় থানায় কিংবা কোর্টে দ্রুত মামলা করতে হবে। আপনি প্রবাসে থাকলে ক্ষমতায়নপত্র দিয়ে নিকটতম যে কাউরে দিয়ে এ মামলা করাতে পারেন।
মামলার শুরুতেই আসামীর বিদেশ পালিয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা বিজ্ঞ উকিলের মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করে আদালত থেকে আসামীর বিদেশ গমণের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে একটা আদেশ নিতে হবে। কাজটি মামলা দায়েরের দিনেও হয়ে যেতে পারে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায়।
কোর্টের উক্ত আদেশের প্রেক্ষিতে থানা ইমিডিয়েটলি উক্ত আদেশ ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টকে ফরমালি জানাবেন। যার প্রেক্ষিতে ইমিগ্রেশন নিয়মমতে আসামীর পাসপোর্ট নম্বর সিস্টেমে লক করে দেবে।
অতঃপর আসামী যদি চলেই আসেন, ইমিগ্রেশন তাকে এয়ারপোর্ট থানায় সোপর্দ করবেন। এয়ারপোর্ট থানা যথারীতি তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেবেন এবং অতঃপর কোর্টে চালান করবেন!
একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, থানা থেকে ফরমাল রিকুইজিশান না পাওয়া পর্যন্ত, ইমিগ্রেশন কেবল মৌখিক ইনফরমেশনের ভিত্তিতে আসামীকে আটকাতে পারেন না। কারণ ফরমাল রিকুইজিন না থাকলে, তখন তিনি আসামী না, সম্মানিত যাত্রী।







