মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের প্রধান টার্গেট কারা? পুলিশ বলছে, পাচারকারীদের পাশাপাশি পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে। কে কোন দলের সদস্য, জনপ্রতিনিধি কিংবা কোন পেশার লোক; তা দেখা হচ্ছে না।
সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারা চলমান অভিযানকে ইতিবাচক হিসাবে দেখলেও প্রচলিত আইনে সব অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করতে বলেছেন।
রমজানের প্রথম দিন থেকেই দেশব্যাপী চলছে মাদকবিরোধী অভিযান। পুলিশ, র্যাবসহ ৫টি সংস্থার করা তালিকা অনুযায়ী অভিযান চলছে।
পৃষ্ঠপোষকদের তালিকায় সরাসরি মাদক ব্যবসায়ী ছাড়াও জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং এমনকি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নামও আছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, সব তালিকায় নাম রয়েছে এমন ভয়ংকর দুই শ মাদক ব্যবসায়ী এবং পৃষ্ঠপোষকরাই প্রধান টার্গেট। এর মধ্যে একশ’র বেশি এরই মধ্যে নিহত। এছাড়া গ্রেপ্তার হয়েছে ১৩ হাজার, মামলা হয়েছে ৭ হাজারের বেশি।
এতো প্রাণহানির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে কেন সবাইকে প্রচলিত আইনে বিচারের মুখোমুখি করা যাচ্ছে না? কারণ হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা অস্ত্রের ভাণ্ডারও গড়ে তুলেছে। অভিযানে এদের গ্রেপ্তারই গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বেশি।
দেরিতে শুরু হলেও চলমান অভিযান সমাজের বিভিন্ন স্তরে ভাল প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন পুলিশের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে মাদকের অংকুরকে সমূলে উৎপাটন করতে বড় ছোট সবাইকে আইনের আওতায় আনার পরামর্শ তাদের।
আরও দেখুন মোরছালীন বাবলার ভিডিও রিপোর্টে:








