প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বিমান। প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ নিয়ে তিনটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দোষীদের শাস্তিসহ বিমানের জন্য একটি সমন্বিত সুপারিশমালা তৈরি করবে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। পাশাপাশি সুষ্ঠুভাবে বিমান পরিচালনার জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে বিমান মন্ত্রনালয় থেকে আরেকটি কমিটি গঠন করা হবে।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের জরুরি অবতরণের ঘটনায় বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১১ প্রকৌশলীকে আটক করে তদন্ত করছে পুলিশ। এছাড়াও আরো কিছু ঘটনায় কিছুটা ইমেজ সংকটে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। অবস্থার উন্নয়ন চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বিমান মন্ত্রণালয়কে কিছু নির্দেশনা পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, তদন্ত কমিটি যেটা গঠন করা হয়েছিলো, সেগুলো পর্যালোচনা করে এবং বিমানের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যে কমিটি গঠন করা হবে তারা একটি সুপারিশ প্রদান করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সামারি ফেরত এসেছে, এই সামারির ভিত্তিতেই আমরা কাজ শুরু করবো।
বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সমান্তরাল একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রাশেদ খান মেনন আরো বলেন, অন্যদিকে বিমানের প্রতিদিনকার কার্যাবলী পর্যবেক্ষণের জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণ কমিটি করা হবে। বিমানের বডির সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে আমরা চেষ্টা করছি একটা জায়গায় নিয়ে এসে বিমানকে একটি উপযুক্ত জায়গায় দাঁড় করাতে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশল বিভাগসহ অন্য বিভাগগুলো ঢেলে সাজানোর ব্যাপারে একমত বিমানের পরিচালনা পর্ষদ।
বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব:) ইনামূল বারী বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের ওয়ার্ক প্রসেসটাকে আমরা নতুনভাবে দেখছি, যেগুলো আছে সেগুলো ঠিক আছে কিনা বা কোথাও কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কিনা। যার যে কাজটা করার কথা সেই সেটা করছে কিনা, সেটাও দেখছি। উপাদানগুলো ঠিকমতো আছে কিনা এবং সেগুলোকে ঠিকঠাক ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা সেটাও দেখছি।
ইমেজ সংকট থেকে উত্তরণে সময়মতো ফ্লাইট পরিচালনা এবং যাত্রী সেবার মান বাড়ানোর জন্য কাজ করছে বিমান।







