‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করেছে কক্সবাজার জেলা কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারীরা।
সকালে কক্সবাজার শহরের সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বেলুন উড়িয়ে র্যালির উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। এরপর বর্ণাঢ্য র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ হেলথ এসিসট্যান্ট এসোসিয়েশন কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম.এনামুল হক এনাম ও সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন। র্যালিতে কক্সবাজার জেলার প্রায় ২ শতাধিক স্বাস্থ্য সহকারী অংশ নেন।
এরপর আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রাজনৈতিক চিন্তা চেতনার কারণেই সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। একটা সময় গ্রাম-গঞ্জ, শহরেও শিশুরা হাম, যক্ষ্মা, ধনুষ্টংকারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সমস্যায় পরিণত হত। যা বর্তমানে নেই বললেই চলে।
প্রায় ৮২% শিশু স্বাস্থ্য সমস্যা সরকার নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে, এটা এক বিরাট সাফল্য। এরই ধারাবাহিকতায় টিকাদান কর্মসূচীর সফলতার জন্য জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে “ভ্যাকসিন হিরো” সম্মাননা দেন গ্লোবাল আ্যলায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন, যা বাংলাদেশের জন্য বড় পাওয়া।
এসময় বক্তারা আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর টিকাদান কর্মসূচি ব্যাপকভাবে জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনার সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আরেকটি বড় সফলতা হল কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প। যে ধারণা তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও সাফল্য দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশে ও আলোচিত হয়ে ওঠে।
বিশ্বে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প ছিল একেবারেই নতুন ও ব্যতিক্রম ধারণা। ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাস্থ্য সহকারীদের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্যসেবার বাতিঘর এই কমিউনিটি ক্লিনিক৷








