তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রানে অল-আউট স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান থেকে ৩৫৪ রানে পিছিয়ে টাইগাররা।
মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে সাকিবের যোগ্য সঙ্গী হয়ে উঠতে পারেনি কেউই। নবম উইকেট জুটিতে সাকিবের সাথে মোহাম্মদ শহীদ ৬৩ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও তাতে শহীদের অবদান মাত্র ১ রান। সাকিব ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
দিনের শুরুতে, স্কোর বোর্ডে ৬ রান যোগ হতেই ব্যাক্তি গত ৩ রানে ফিরেন সৌম্য সরকার। ওহাব রিয়াজের বলে অনে-মিডফিল্ডে দাঁড়িয়ে থাকা আজাহারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
সৌমের বিদায়ে সাকিবের সঙ্গী হন শুভাগত হোম। ৩ রান পরেই বিদায় নেন শুভাগত। তখন স্কোর বোর্ডে রান ১১৯। তিনিও ওহাব রিয়াজের শিকার। আসাদ শফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
ক্রিজে আসেন তাইজুল ইসলাম। স্কোর বোর্ডে ২১ রান যোগ হতে ফেরেন তিনিও। মোহাম্মদ হাফিজের বলে বোল্ড হবার আগে ১৫ রান করেন তিনি।
শেষ ব্যাটসম্যান হিসাবে আউট হন মোহাম্মদ শহীদ। ইয়াসির শাহের বলে শর্ট অনে দাঁড়িয়ে থাকা আজাহারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
শাহাদাতের ইনজুরিতে মাঠে নামতে না পারায় শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।
আজাহার আলি ক্যারিয়ারে অষ্টম সেঞ্চুরিতে ডাবল সেঞ্চুরিতে পরিণত করেন। আজাহারের ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংসে সেঞ্চুরি তুলে নেন ইউনিস খান ও আসাদ শফিকও।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। দুইটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ শহীদ ও শুভাগত হোম।
পাকিস্তানের বিশাল স্কোরের বিপরীতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলেই ফিরে যান খেুলনা টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা তামিম ইকবাল।
তামিমের বিদায়ের পর একে একে মুমিনুল, ইমরুল,মাহামুদুল্লাহ ও ইনিংসের শেষ বলে টাইগার দলপতি মুশফিকুর রহিম ফিরে গেলে ফলো অনের শংকায় পড়ে বাংলাদেশ।






