অযত্ন অবহেলায় বুড়িগঙ্গার তীরে ফরাশগঞ্জে পড়ে আছে প্রায় দু’শ’ বছরের পুরনো নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন ‘রূপলাল হাউজ’। দীর্ঘদিন ধরে আড়তদারের গুদাম এবং সরকারি কর্মচারিদের বসবাসের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক এ নিদর্শনটি।
বেশ কয়েক বছর আগেই প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করলেও এ ভবনে সংস্কারের কোনো চিহ্ন নেই।
বুড়িগঙ্গার তীরে গ্রিক স্থাপত্যকলার অনুকরণে তৈরি প্রায় দু’শ’ বছরের পুরনো এ রূপলাল হাউজ। প্রত্নতাত্ত্বিক এ নিদর্শনটি অযত্ন-অবহেলায় তার রূপ হারিয়েছে বহু আগেই।
এক সময় রাজকীয় নৌকা ভিড়ে যে বাড়িতে বসতো শিল্প সংস্কৃতির আসর, আজ সেখানে কেবল পেঁয়াজ-রসুন-মরিচের ঝাঁঝ। হারিয়ে গেছে রূপলাল নামটিও। বেদখল হয়ে বিভিন্ন কক্ষে বসেছে মসলার আড়ৎ, বাস করছে বেশ কয়েকটি পরিবারও।
১৮৪০ সালে ঢাকার বিখ্যাত আর্মেনীয় জমিদার আরাতুনের কাছ থেকে বাড়িটি কিনে পুননিমার্ণ করেন অভিজাত ব্যবসায়ী রূপলাল দাস এবং রঘুনাথ দাস। সাতচল্লিশের দেশভাগের সময় রাজকীয় এ ভবন ছেড়ে ভারতে চলে যায় রূপলাল দাসের উত্তরসূরীরা।
৮০’র দশকে আহসান মঞ্জিল সংস্কারের কাজ শুরু হলেও অবহেলায় পড়ে থাকে রূপলাল হাউজ। পরে স্থাপনাটি সংস্কার এবং সংরক্ষণে সরকার প্রকল্প নিলেও কোনো অগ্রগতির চিহ্ন নেই।
ভবনটি দ্রুত সংস্কার করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছেন ঐতিহ্য সংরক্ষণে সচেতন মানুষ।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে







