খল-অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হলেন মনির হোসেন ওরফে যুবরাজ। ২৮ ফেব্রুয়ারি নায়ক নিরব অভিনীত মুক্তি প্রাপ্ত ‘হৃদয় জুড়ে’ ছবিতে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে যুবরাজকে দেখতে পান দর্শক। শুধু ‘হৃদয় জুড়ে’ নয়, যুবরাজের হাতে রয়েছে আরও তিন ছবি। সেগুলো হচ্ছে ‘ওস্তাদ’, ‘মন্ত্র’, ‘দ্য প্যাসেনজার’। এসব ছবিতে কাজের তিনি খলনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চান।
চ্যানেল আই অনলাইনকে যুবরাজ বলেন, সবাই নায়ক হতে চাইলেও আমি ভিলেন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চাই। কারণ, ভিলেন হওয়া অনেক চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। আর যে কোনো কাজে আমি চ্যালেঞ্জ নিতেই পছন্দ করি। ভিলেন হতে গেলে মারপিট জানার প্রয়োজন হয়। এজন্য আমি মার্শালআর্ট শিখেছি। অভিনয়ে নিজেকে পরিণত করার জন্য অনেক আগে থিয়েটারেও কাজ করেছি।

১৯৯৭ সাল থেকে নাট্যশীলন থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত যুবরাজ। তিনি বলেন, নিজের মধ্যে সংস্কৃতিকে লালন করি। আমার বাবা অভিনেতা ছিলেন। মঞ্চ নাটক ছাড়াও তিনি এ কালের নায়ক, হাসন রাজা ছবিগুলোতে কাজ করেছেন। বাবাকে দেখেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি।
যুবরাজ বলেন, বর্তমান সিনেমার ভিলেন মিশা সওদাগর, অমিত হাসান আমি তাদের ভক্ত। তারা আমার কাছে আইডল। তারা নিজেদের সেরাটা দিয়ে দীর্ঘ বছর চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের পরের প্রজন্মে সিনেমায় ভিলেন হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পারলে ভাগ্যবান হবো। এজন্য দর্শকদের সাপোর্ট চাই।

এদিকে, মুক্তি পাওয়া হৃদয় জুড়ে’র পর সাইফ চন্দন পরিচালিত ছবি ‘ওস্তাদ’-এ কাজ করছেন যুবরাজ। তিনি বলেন, এ ছবিতে আমি এবং তাসকিন দুজনেই সমান্তরাল খল অভিনেতা। খুবই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। মাত্র তিনদিন বাকি আছে ওস্তাদের শুটিং। এরপরেই মন্ত্র এবং প্যাসেনজার নামে আরও দুই ছবির কাজ শুরু করবো।
যুবরাজ বলেন, কাজ তুলনামূলক কম করলেও ভালো চরিত্র ও গল্পের ছবিতে কাজ করছি। এরমধ্যে দু-তিনটি ছবিতে কাজের অফার পেলেও না করে দিয়েছি। গল্প এবং চরিত্র শুনে মনে হয়েছে আমি সেখানে কিছু করার সুযোগ পাব না। তবে আমার হাতে থাকা তিনটি ছবিই আমাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।








