শীতের এ মৌসুমে নির্বাচনী হাওয়ায় পৌরসভাগুলো সরগরম। ভোটারদের সমর্থন পেতে সভা-সমাবেশসহ ছাড়াও ভোটারদের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন মেয়র প্রার্থীরা। কাউন্সিলর প্রার্থীরা বাদ দিচ্ছেন না একটি বাড়িও।
উত্তরের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখন মৃদু শৈত্য প্রবাহ। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারের গরম সব জায়গায়। জেলার ৪ পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী ২২ জন। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৯২ জন আর সংরক্ষিত আসনে ৫৯ জন প্রার্থী হয়েছেন। ভোটারদের মন জয় করতে পৌর এলাকার রাস্তা-ঘাট, পানি, স্বাস্থ্য, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন মেয়র প্রার্থীরা।
সৎ প্রার্থী যারা গরীব দুঃখীকে দেখবেন তাদেরকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা। দুষণমুক্ত পরিবেশবান্ধব সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা আধুনিক নগর গড়ে তুলাই লক্ষ্য হবে বলে জানিয়েছেন একজন মেয়র প্রার্থী।
দেশের আরেক প্রান্ত বান্দরবানের ২ পৌরসভাও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় জমজমাট। সাধারণ নাগরিক সমস্যার সঙ্গে পার্বত্য জনপদে নিজস্ব কিছু সমস্যাও আছে। গণসংযোগে প্রার্থীরা একরকম নির্ঘুম রাত পার করছেন।
শিক্ষিত যোগ্য এবং সমাজের উন্নয়ন করবে এমন প্রার্থীকেই চান পৌরবাসীরা। পর্যটন শহরটিকে আরও আধুনিক, দুষণমুক্ত, পরিচ্ছন্ন করবে এমন প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে জানান তারা।
বান্দরবান পৌরসভাকে সাজানোর জন্য যা দরকার তাই করতে প্রস্তুত বলে মেয়রপ্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন। বিগত পাঁচটা বছর পৌরসভার পাশেই ছিলাম। আমার বিশ্বাস দ্বিতীয়বারের মতো আমাকে আবার সুযোগ দিবেন।
একই চিত্র উপকূলীয় বরগুনা পৌরসভায়। সেখানে মেয়র পদে প্রার্থী ৬ জন প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪০ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী হয়েছেন।
রাস্তাঘাট প্রশস্ত করা, ড্রেনেজ সুন্দর করা, বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়াসহ উন্নয়নের বিষয়গুলোতে বেশি অগ্রাধিকার দেয়ার আশ্বাস দেন বরগুনা পৌরসভার একজন মেয়রপ্রার্থী। মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর জন্য শিশুপার্কসহ এখানে যে ঘাটতিগুলো রয়েছে তা পূরণের চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দেন অপর এক প্রার্থী।
প্রচারের পাশাপাশি নানারকম আশ্বাস দিয়ে মেয়র প্রার্থীরা ইশতেহারও ঘোষণা করছেন। এরকম একজন হবিগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত আতাউর রহমান সেলিম।
প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক পরিচয়ে পৌর নির্বাচনে নানা উপায়ে চলছে প্রচার-প্রচারণা। ভোটযুদ্ধে প্রচারের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকতে চান না কেউই।






