জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কর্মরত মুসলিম ও রক্ষণশীল নারীদের কথা উঠে আসলো টরেন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে প্রচারিত ‘জার্নি অব এ থাউজ্যান্ড মাইলস: পিসকিপার্স’ নামের একটি চলচ্চিত্রে। শান্তিরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশী নারীদের কথাও উঠে এসেছে সেই চলচ্চিত্রে।
হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্প। প্রায় লাখখানেক মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া সেই ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো অনেক অনেক ভবন। বিদ্ধস্ত সেই দেশটিতেও নিজেদের সাহায্য সেবা প্রদানের কাজ অব্যাহত রাখতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর একটি দল।
এই শান্তিরক্ষী বাহিনীতে একদল নারীও ছিলো। নীল ক্যাপ পড়া বাংলাদেশী নারীরাও সেই দলটিতে দৃঢ়তার সঙ্গেই নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন।
কখনো যুদ্ধাক্রান্ত একটি দেশে আবার কখনো দুর্যোগময় একটি দেশে নিজের কাজ চালিয়ে নিতে হয় এসব শান্তিরক্ষীদের। তবে এসবের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের মুসলিম রক্ষণশীল পরিবার থেকেও বেশ কিছু নারী অংশ নিচ্ছে।
অবশ্য আগেকার চেয়ে বর্তমান সময়ে এই কাজে নারীদের অংশগ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে। সেসবই উঠে এসেছে ‘জার্নি অব এ থাউজ্যান্ড মাইলস: পিসকিপার্স’ নামের ভিডিওতে।
গত সপ্তাহে টরেন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই চলচ্চিত্র। সেখানে ১৪০ জন নারী শান্তিরক্ষীর কথা উঠে এসেছে। তাদের নানান প্রতিকূলতাও উঠে এসেছে।
এমি অ্যাওয়ার্ড জয়ী এবং পিসকিপারের পরিচালক গীতা গান্ধবীর বলেন, নারীরা অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে উঠে আসছে। দক্ষিণ এশিয়া বা মুসলিম মেয়েরা আরো বেশি প্রতিকূলতা পেরিয়ে উঠে আসছে। সেসবই তুলে ধরতে চেয়েছি চলচ্চিত্রটিতে। যেসব বাংলাদেশী নারীর কথা উঠে এসেছে তারাও জীবিকা অর্জনের জন্যই নিজেদের চিরচেনা গণ্ডির বাইরে এসেছে।






