প্রচণ্ড গরমে রাজধানীসহ সারাদেশে রোগবালাই বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। পানিবাহিত নানা রোগে হাসপাতালগুলোতে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এ চিত্র শুধু এবছরই না, প্রতি বছর গরমকালে এমনটা দেখা যায়।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সারাদেশে তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে এই তাপমাত্রা পরিবেশ পরিস্থিতি ভেদে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হয়ে আসছে। এই গরমের সঙ্গে সঙ্গে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার জন্য ও সুয়ারেজের পাইপ লিক হয়ে খাবারের পানির সঙ্গে মিশে নানা ধরণের পানিবাহিত রোগ দেখা দিচ্ছে।
পানিতে কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া বেশি থাকলে ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও জন্ডিস রোগ হতে পারে। খাদ্যনালির প্রদাহ বা গ্যাস্ট্রো-এন্টারাটাইটিস দূষিত পানি গ্রহণ থেকে হয়। ভাইরাস থেকে কমন ফ্লু বা ঠাণ্ডা জ্বরও হতে পারে। শিশু-বয়স্কসহ অনেকেই ইতিমধ্যে নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছে, যা দিনকে দিন বাড়ছে। গরমের পাশাপাশি মশাসহ নানা কিটবাহিত রোগের দেখাও দিচ্ছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিষয়গুলো উদ্বেগজনক।
গরমে পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষায় চিকিৎসকরা বিশুদ্ধ পানি পান এবং পচা-বাসি ও বাইরের খাবার পরিহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন। এ বিষয়গুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে প্রচার করাসহ সরকারি বিভিন্ন চিকিৎসালয়ে কার্যক্ষমতা বাড়ানো দরকার বলে আমরা মনে করি।








