শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়েছে সেমিফাইনালে হেরে । তারপরও জয় দিয়েই কোপা আমেরিকার এবারের আসর শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ২০১১ আসরের রানার্সআপ প্যারাগুয়ে ও তৃতীয় স্থান পাওয়া পেরু। শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে এই ম্যাচ।
সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৬-১ এ বিধ্বস্ত হলেও গত আসরের ফাইনালিস্ট প্যারাগুয়ের এবারের পারফরম্যান্স খুব একটা খারাপ নয়। গ্রুপ-পর্বে আর্জেন্টিনার সঙ্গে ড্র দিয়ে শুরু। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানো প্যারাগুইয়ানরা অপরাজিত থেকেই সেমিফাইনালে উঠেছিলো।
আর ব্রাজিলের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা পেরু কোয়ার্টার ফাইনাল বলিভিয়াকে ৫-১ গোলে হারায়।
আর্জেন্টিনার ধাক্কা শেষে ফের ঘুড়ে দাঁড়ানোর ম্যাচে স্ট্রাইকার রোকু সান্তা ক্রুজ ও দার্সিল গঞ্জালেসকে পাচ্ছেন না প্যারাগুয়ে কোচ। তারা দুজনেই ইনজুরির কারণে খেলতে পারবে না। ইনজুরি দল থেকে ছিটকে দিয়েছে প্যারগুয়ান ডিফেন্ডার নেস্টর ওটিগোজাকেও। সমস্যা আছে মিডফিল্ডার নেলসন হেওডো ভালদেসের। তবে ইনজুরি সমস্যা সামলেই পেরুকে হারাতে চান কোচ রোমান ডায়াস।
উল্টো চিত্র পেরু শিবিরে। তাদের তেমন কোনো ইনজুরি সমস্যা নেই। জেফারসন ফারহান অনুশীলন করতে না পারলেও ম্যাচে মাঠে নামবে বলেই আশা কোচিং স্টাফদের। তার ওপর দারুণ ফর্মে আছেন পাওলো গুয়েরারো। তাই গত আসরের মতো এবারও তিন নম্বর জায়গাটা ধরে রাখতে চায় রিকার্ডো গার্সিয়ার দল।
পেরু কোচ বলেন, প্যারাগুয়ে সবসময়ই বিপজ্জনক দল। তবে ম্যাচটা তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলেই আশা করছি।
দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে অনেক এগিয়ে প্যারাগুয়ে। পেরু যেখানে জিতেছে ১১টি ম্যাচ, সেখানে প্যারাগুয়ের জয় ২৪টিতে।
অন্য পরিসংখ্যানেও এগিয়ে প্যারগুয়ে। সর্বশেষ ১৩ ম্যাচের ছয়টিতেই হেরেছে পেরু। বাকি ম্যাচ ড্র। জয় পায়নি একটিতেও।
তবে একটা জায়গায় এগিয়ে পেরু। এর আগে কোপা আমেরিকায় কখনো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলেনি প্যারগুয়ে। সেখানে পেরু খেলেছে দুইবার। ২০১১ সালে ভেনেজুয়েলাকে ৪-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয়েছিলো পেরু। আর ১৯৯৭ সালে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে হেরেছিলো তারা।






