ঈদের আগে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে জামায়াত নাশকতার পরিকল্পনা করছিলো বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। জামায়াতের সাবেক দুই এমপিকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ছদ্মপরিচয়ে জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাধ্যমে অস্থিরতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছিলো।
সোমবার রাজধানীর পল্লবী থেকে জামায়াতের সাবেক দুই এমপিসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয় সেসময়। রাতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা কাগজপত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি চলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ।
ডিএমপি গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মো: মনিরুল ইসলাম জানান, ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সাথে গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের এক নেতার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। ঈদকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পখাতে কোনো নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিলো বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নামে উদ্ধার করা বই এবং কাগজপত্রে রাষ্ট্রদ্রোহের পরিকল্পনা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ডিবি’র যুগ্ম কমিশনার জানান, তাদের কাছ থেকে জব্দ করা বইয়ে আপত্তিকর ও মিথ্যা তথ্য আছে যা দেশের স্বার্থপরিপন্থী। বইগুলোতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার উপাদান আছে যেগুলো খতিয়ে দেখে আটকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনার কথা বিবেচনা করছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার জামায়াত নেতাদের তিনদিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে গোয়েন্দা বিভাগ।






